হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ যাবজ্জীবন
ফাইল ছবি
বগুড়া ও রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ১১ নভেম্বর ২০২৫ | ১৯:৪০
বগুড়ার গাবতলীতে ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাজাহান কবির এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আসামিরা হলেন– বাবুল প্রামাণিক, মানিক ও মিশু। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন– পিন্টু ওরফে মাজেদুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন দুলু ও আশিক।
রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে তোজাম্মেল হকের পরিবার সন্তুোষ প্রকাশ করে। তারা বিচারকের কাছে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।
২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর দুর্গাহাটার বটিয়াভাঙ্গা এলাকায় ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হককে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার আট বছর পর মামলার রায় ঘোষণা কর হয়।
নাটোরের এসএসসি পরীক্ষার্থী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদকে দুটি ধারায় ১৪ বছর ও যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান এ রায় দেন।
২০২২ সালের ১ অক্টোবর এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে নাটোরের নজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী। ওই সময় প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ পরীক্ষায় বেশি নম্বর দেওয়ার কথা বলে তাকে রাজশাহীতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান। সেখানে আটকে রেখে হত্যার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ওই রাতেই ছাত্রীর মা শিক্ষক ফিরোজ আহমেদসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে গুরুদাসপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
পুলিশ তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। বিচারক দুজনকে অব্যাহতি দিয়ে আসামি হিসেবে ফিরোজের বিচারকাজ শুরু করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়।
রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুন্সী আবুল কালাম আজাদ বলেন, রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাদীপক্ষ সন্তুষ্টি জানিয়েছে।
- বিষয় :
- মৃত্যুদণ্ড
- যাবজ্জীবন
- রাজশাহী
- বগুড়া
