ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রেকর্ডের আদেশ আদালতের

আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রেকর্ডের আদেশ আদালতের
×

প্রতীকী ছবি

‎ঝালকাঠি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ২০:৪৪

ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামসুল হক মনুসহ দুজনের বিরুদ্ধে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রেকর্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী শ্রমিক মামলা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে অভিযোগ দেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক এ বিষয়ে সদর থানার ওসিকে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী পার্থ সারথী রায়।

মামলার নালিশিতে ভুক্তভোগী জানান, আসামি মনু মিয়া আদি সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস শাহী ৯৯ নামে একটি জর্দা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এই কোম্পানিতে মনু মিয়ার বিশ্বস্ত শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ হোসেন। ফরিদ হোসেন তাঁকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে এক দিন মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যান। ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর ফরিদ তাঁকে কারখানায় আসতে বলেন। তিনি সেখানে এলে ফরিদ তাঁকে মনু মিয়ার রুম পরিষ্কার করতে বলে সেখান থেকে চলে যান। এ সময় মনু মিয়া তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে সেখানে চাকরি করার সুবাধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এক পর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় গর্ভের সন্তানকে বৈধতা দিতে মনু মিয়ার পরামর্শে ফরিদ ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি তাঁকে বিয়ে করেন। গত বছরের ১৫ জুলাই তাঁর একটি মেয়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদ তাঁকে তালাক দেন। এ ঘটনায় সাক্ষীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে গত ২ ডিসেম্বর মামলা করতে থানায় গেলে তাঁকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ উপজেলার কৃষ্ণকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ হোসেনকে অপর একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে।  
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনু মিয়ার ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত আদালত থেকে কোনো কাগজপত্র তাঁর হাতে আসেনি। হাতে পেলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

×