ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

টিসিবির ট্রাকে মধ্যবিত্তের ভিড় চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম

টিসিবির ট্রাকে মধ্যবিত্তের ভিড় চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম
×

বগুড়া শহরের টিসিবির ট্রাক সেলে এখন নিম্নবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। বুধবার বিকেলে শহরের নাটাইপাড়া এলাকা সমকাল

 বগুড়া ব্যুরো

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৯:৪৭

| প্রিন্ট সংস্করণ

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সংসার চালাতে হিমশিম অবস্থা সাধারণ মানুষের। ফলে বগুড়া শহরের টিসিবির ট্রাক সেলে এখন নিম্নবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। বুধবার বিকেলে শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচটি স্থানে টিসিবির পণ্য বিক্রির সময় এমন চিত্র ফুটে ওঠে।

শহরের নাটাইপাড়া এলাকায় লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বেসরকারি কোম্পানির সেলসম্যান রাকিবুল ইসলাম। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে আসা এই নিম্ন-মধ্যবিত্ত চাকরিজীবী বলেন, ‘যে টাকা বেতন পাই, তা দিয়ে বর্তমান বাজারে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টিসিবির পণ্য কিছুটা কম দামে পাওয়ায় সংসারে বড় উপকার হচ্ছে।’ একই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গৃহবধূ নাসরিন সুলতানা জানান, তাঁর স্বামীর হোটেলের ব্যবসা রমজানে বন্ধ থাকায় সংসারে অভাব চলছে। বাধ্য হয়েই সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। শুধু তারাই নন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আবুল হোসেনের মতো অনেক মধ্যবিত্ত মানুষকে এখন ট্রাক সেলের লাইনে দেখা যাচ্ছে।

বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের নাটাইপাড়া, চেলোপাড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চেলোপাড়া এবং নাইট স্কুল এলাকায় পাঁচটি ট্রাকে মোট ২ হাজার কেজি পণ্য বিক্রি করা হয়। একজন ক্রেতা ৫৯০ টাকার প্যাকেজে ১ কেজি চিনি (৮০ টাকা), ২ কেজি মসুর ডাল (১৪০ টাকা), ২ লিটার ভোজ্যতেল (২৩০ টাকা), ১ কেজি ছোলা (৬০ টাকা) এবং আধা কেজি খেজুর (৮০ টাকা) কিনতে পারছেন।
টিসিবির ডিলার মেসার্স হারুন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হারুনুর রশিদ বলেন, ‘বরাদ্দের তুলনায় চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ। আগে লাইনে কেবল নিম্নবিত্তদের দেখা যেত, এখন মধ্যবিত্তরাই বেশি আসছেন।’
বগুড়া অঞ্চলের টিসিবির সহকারী পরিচালক সাদ্দাম হোসেন চাহিদা বাড়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘বাজারে টিসিবির পণ্যের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়ে আবেদন জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন

×