ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গাজীপুর-৩ আসন

২৩ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি ডা. বাচ্চু

২৩ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি ডা. বাচ্চু
×

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ১৭:১০ | আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ১৭:২৫

গাজীপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রথমবারের মতো প্রায় ২৩ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। শপথ গ্রহণের দুই সপ্তাহের মধ্যে শ্রীপুর উপজেলায় ৫টি ও পৌরসভায় ২টি কাজের উদ্বোধন স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বৃহস্পতিবার প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন এমপি অধ্যাপক ডা. বাচ্চু। 

শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্র বলছে, উপজেলায় চারটি প্রকল্পের মাধ্যমে ৬টি সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে পল্লী উন্নয়ন ও কালভার্ট মেরামত কর্মসূচির আওতায় শিমলাপাড়া-জয়নাতলী-বড়বাইদ রাস্তা (ইউনিব্লক দ্বারা) উন্নয়ন করা হবে। সড়কের দৈর্ঘ্য ৩৫৮৫ মিটার এবং প্রস্থ ৩ মিটার। মেসার্স শাহ এন্টারপ্রাইজের অধীনে চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ করার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। গাজীপুর জেলা পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (জিডিআরআইডিপি) আওতায় গোসিংগা ইউপিসি বাউনী বাজার-ইজ্জতপুর বাজার রাস্তা প্রশস্তকরণ ও পূনর্বাসন করা হবে। সড়কের দৈর্ঘ্য ৫৫০ মিটার এবং প্রস্থ ৫.৫ মিটার। একই প্রকল্পের আওতায় ধনুয়া-মাওনা বাজার রাস্তা মেরামত ও প্রশস্তকরণ।

এ সড়কের দৈর্ঘ্য ১৫৫০ মিটার এবং প্রস্থ ৫.০০ মিটার। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ী ইউপিসি (আরএইচডি নালিয়ারটিকি) ফাইগান কলিঘাট বাজার (শ্রীপুর পার্ট) রাস্তা মেরামত করা হবে। সড়কের দৈর্ঘ্য ৪১৩০ মিটার এবং প্রস্থ ৪.২০ মিটার। পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত কর্মসূচির আওতায় মাওনা জিসি-গাজীপুর বাজার জিসি রাস্তা মেরামত করা হবে। সড়কের দৈর্ঘ্য ১৮১১ মিটার এবং প্রস্থ ৫ মিটার। আগামী মে মাসের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ করার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

একই প্রকল্পের আওতায় মাওনা চৌরাস্তা-উজিলাব রাস্তা মেরামতে সড়কের দৈর্ঘ্য ২১০৫ মিটার এবং প্রস্থ ৩ মিটার। আগামী মে মাসের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ করার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

শ্রীপুর পৌরসভা অফিস সূত্র বলছে, পৌরসভা এলাকায় বার্ষিক উন্নয়ন তহবিলের (এডিপি) আওতায় শ্রীপুর চৌরাস্তা থেকে বরমী অভিমুখী ১২০ মিটার সড়ক আরসিসি ঢালাই দ্বারা উন্নয়ন করা হবে। একই প্রকল্পের অধীনে শ্রীপুর-মাওনা ডিবি সড়ক হতে কলিমুদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ী (আনাসার রোড) অভিমুখী ১২০ মিটার সড়ক আরসিসি ঢালাই দ্বারা উন্নয়ন করা হবে।

ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, উপজেলা এবং পৌরসভা এলাকায় ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২২ লাখ ৮১ লাখ টাকারকাজ শুরু হয়েছে। ধাপে ধাপে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। এসব নতুন সড়ক নির্মিত হলে পৌরসভা এবং উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

সড়ক সংস্কারের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী কাজে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেব, শ্রীপুর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারী, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহফুল হাসান হান্নান প্রমুখ।

প্রস্তুতির খবর জানিয়ে যা বললেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ

 এ বছর আমাদের প্রযোজনায় ঈদে মোট ১৫টি নাটক প্রচার হবে। এর মধ্যে বড় তারকা ও বড় বাজেটের পাঁচটি নাটক গত বছরের নির্মাণ, যেগুলো আমরা নতুন পরিকল্পনায় এবার প্রচারে আনছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ নাটকের স্পনসর নিশ্চিত করেছি। বাকি ৩০ শতাংশের স্পনসরও খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছি। তবে বাস্তবতা হলো, বড় বড় কিছু লগ্নিকারী এখনো পুরোপুরি মার্কেটে সক্রিয় হননি। সবাই যখন সম্পৃক্ত হবেন, তখন কাজের পরিবেশ আরও বেশি স্বস্তিদায়ক হবে। আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নাটকের দৈর্ঘ্য এখন ৪০ মিনিট থেকে বেড়ে ৮০-৯০ মিনিট হয়েছে। প্রযোজনার ব্যয়, শিল্পী পারিশ্রমিক, লোকেশন ও টেকনিক্যাল খরচ সবই বেড়েছে। কিন্তু স্পনসররা এখনো ৪০ মিনিটের নাটকের রেট হিসেবেই বাজেট বরাদ্দ করছেন। এটি আমাদের জন্য বড় সংকট। তারপরও আমরা মানের সঙ্গে আপস করতে চাই না। গল্প, নির্মাণ ও উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য রেখে দর্শকের আস্থা ধরে রাখাই আমাদের লক্ষ্য।

এসকে শাহেদ আলী পাপ্পু
 কর্ণধার, সিএমভি

বঙ্গ সবসময়ই চেষ্টা করে মানসম্পন্ন কনটেন্ট দেওয়ার। এবার ঈদে অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও মুশফিকার মাসুদের ‘লাভ সিটার’সহ বেশ কয়েকটি কাজ আসবে। সময় নিয়ে পরিকল্পনা করেছি, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং নতুনভাবে কনটেন্ট উন্নয়নে মনোযোগ দিয়েছি। ঈদে আমরা বৈচিত্র্যময় আয়োজন নিয়ে ফিরছি। রোমান্টিক ও সমসাময়িক গল্প-সব মিলিয়ে একটি সমৃদ্ধ লাইনআপ সাজানো হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, দর্শক এখন শুধু বিনোদন নয়, গল্পে গভীরতা ও নির্মাণে মান খোঁজেন। সেই চাহিদা পূরণ করতেই আমাদের এই প্রচেষ্টা। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দর্শকের সাড়া বাড়ছে, তাই ডিজিটাল দর্শককেও মাথায় রেখে পরিকল্পনা করেছি। ঈদে দর্শকের প্রত্যাশার চাপ থাকে বেশি। আমরা আশাবাদী, এবারের আয়োজন দর্শকদের ভালো লাগবে।’ 

মুশফিকুর রহমান
চিফ অপারেটিং অফিসার, বঙ্গ

প্রতিবছর ঈদকে ঘিরে নতুন আয়োজনে সাজে ক্যাপিটাল ড্রামা। এবারও তার ব্যত্যয় হয়নি। এ বছর ‘ক্যাপিটাল ড্রামা’ ব্যানারে তিনটি নাটক প্রচার হবে। ইতোমধ্যে এর দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে একটি নব্বই দশকের পটভূমিতে নির্মিত, যেখানে সেই সময়ের আবহ, সম্পর্ক ও আবেগকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি দুটি রোমান্টিক গল্পনির্ভর, তবে উপস্থাপনায় রয়েছে আধুনিকতা। আমরা স্বনামধন্য নির্মাতাদের দিয়ে কাজগুলো করিয়েছি, যাতে গল্পের গভীরতা ও নির্মাণমান দুটোই নিশ্চিত হয়। দর্শক যেন একঘেয়েমি অনুভব না করেন, সে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস, ভিন্ন স্বাদের এই তিনটি নাটক ঈদের বিনোদনে আলাদা মাত্রা যোগ করবে এবং দর্শকের মনে জায়গা করে নেবে। 

আনোয়ারুল ইসলাম সজল
সিইও, ক্যাপিটাল মাল্টিমিডিয়া

ঈদকে সামনে রেখে আমরা বেশ কিছু নতুন নাটক নির্মাণ করেছি, যা আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করা হবে। এসব নাটকগুলো গুণী নির্মাতারা নির্মাণ করেছেন। অভিনয়শিল্পীরা পরীক্ষিত। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এখন বড় একটি দর্শক ভিত্তি তৈরি করেছে। তাই আমরা কনটেন্ট পরিকল্পনায় গল্পের মান, চিত্রনাট্যের শক্তি এবং নির্মাণের পরিশীলিত দিকগুলোর ওপর জোর দিয়েছি। দর্শকের কথা ভেবেই আমরা নির্মাণ করি। আমাদের লক্ষ্য শুধু ভিউ বাড়ানো নয়, বরং দর্শকের আস্থা অর্জন করা। সে লক্ষ্যেই পথ চলছি। ইউটিউব চ্যানেলটি শুরু থেকে দর্শক আমাদের কাজকে সাপোর্ট করেছেন। আমরা চাই, দর্শক আমাদের ব্যানারের নাম দেখেই মানসম্মত কনটেন্টের নিশ্চয়তা পান। এবারের ঈদ আয়োজন সেই লক্ষ্য পূরণের দিকেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

তানভীর মাহমুদ
কর্ণধার, সুলতান এন্টারটেইনমেন্ট 

আরও পড়ুন

×