বগুড়ার কয়েকটি গ্রামে ঈদ উদ্যাপন
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬ | ১৫:২২
বগুড়ার তিনটি উপজেলার কয়েকটি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করা হয়েছে। গাবতলী, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় পৃথক স্থানে শুক্রবার সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামাতে নারী-শিশুসহ অন্তত দেড় শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।
গাবতলীর রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ে জামে মসজিদে সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা লাইলাতুল কদর। জামাতে প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, এবারই প্রথম নয়, গাবতলী সদরের গাবতলী গ্রামে এটি টানা তৃতীয়বারের মতো আগাম ঈদ জামাত।
অন্যদিকে, ধুনট উপজেলার হাশুখালী গ্রাম এবং সোনাতলার কালাইহাটা গ্রামে সকাল সাড়ে সাতটায় ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।
সোনাতলার কালাইহাটা দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠে ইমামতি করেন মো. শামীম হোসেন। বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে ইমামতি করেন মো. আব্দুল আলীম।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জামাতগুলোতে নারী ও শিশুদের অংশগ্রহণও ছিল উল্লেখযোগ্য। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
আগাম ঈদ উদ্যাপনের বিষয়ে সোনাতলা এলাকার মাওলানা নিজামুল হক বলেন, পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সে অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন করা উচিত—এই বিশ্বাস থেকেই তারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্যাপন করছেন। একই দিনে সব মুসলমানের রোজা ও ঈদ উদ্যাপনের আহ্বানও জানান তিনি।
এ বিষয়ে গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হোসেন বলেন, কিছু মুসল্লি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী আগাম ঈদ উদ্যাপন করেছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবেই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
