ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

শমশেরনগর ডাকবাংলো

সংরক্ষণ ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি

সংরক্ষণ ও স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি
×

কমলগঞ্জের শমশেরনগর ডাকবাংলো সমকাল

 কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১২

| প্রিন্ট সংস্করণ

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের ‘কসাইখানা’ হিসেবে পরিচিত নির্যাতন কক্ষ ছিল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ডাকবাংলো। সংগ্রামী বাঙালির রক্ত আর কান্নাভেজা এই ডাকবাংলোকে আগামী প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের রাজসাক্ষী হিসেবে তুলে ধরতে সেটিকে সংরক্ষণ ও স্মৃতির স্মারক হিসেবে একটি সৌধ নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছে সচেতন মহল।
কমলগঞ্জের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ভাষ্য, শত শত নিরীহ মানুষের কান্না আর রক্তের ইতিহাস বহন করছে এই ডাকবাংলো। তরুণ প্রজন্ম এই ডাকবাংলো, নির্যাতন কক্ষ আর তার পাশের বটবৃক্ষের কাছে এসে খুঁজে পাবে দেশপ্রেম আর দেশদ্রোহিতার সংজ্ঞা। তাই আগামীর জন্য এই ডাকবাংলো সংরক্ষণ আর তার পাশে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি এখানকার মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের মানুষের।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, স্থানীয় দালালদের সহযোগিতায় তৎকালীন কমলগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুরের বাবা আব্দুল গনি আর তাঁর দুই ভাই আব্দুল নুর ও আব্দুল আলীকে ধরে এনে শমশেরনগর ডাকবাংলোয় নির্যাতন করে পরে বিমানবন্দরে নিয়ে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। এখানে ধরে এনে অনেক লোককে অকথ্য নির্যাতন ও হত্যা করা হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল কুমার দাশ শমশেরনগর ডাকবাংলোর ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সারাদেশের মধ্যে শমশেরনগরই সর্বপ্রথম পরিকল্পিত সম্মুখ সমরে ১১ জন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে ও পাকিস্তানি পতাকা পুড়িয়ে গর্বিত ইতিহাস রচনা করা হয়। 

আরও পড়ুন

×