ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাল খনন শেষে ৬৪ লাখ টাকা সাশ্রয়, কোষাগারে ফেরত
ছবি: সংগৃহীত
আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬ | ১৩:৫১ | আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৬ | ১৭:৩৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি খাল পুনঃখনন ও সংস্কার প্রকল্পের কাজ শেষ করে অব্যয়িত প্রায় ৬৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও নির্ধারিত মান বজায় রেখে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১ লাখ টাকা। বাকি ৬৩ লাখ ৯১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমানো এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসুবিধা নিশ্চিত করতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাটাখালি থেকে ভবানীপুর, আড়াইসিধা ইউনিয়নের ভবানীপুর থেকে দগরীসার এবং দগরীসার থেকে লাউয়াসার পর্যন্ত তিনটি খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের জন্য মোট ১ কোটি ৬৪ লাখ ৯১ হাজার ৯২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
প্রকল্পের আওতায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পাশাপাশি খালের পাড়ে দেড় হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১ লাখ টাকা। অবশিষ্ট ৬৩ লাখ ৯১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আলমাস উদ্দিন জানান, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইউএনওর তত্ত্বাবধানে নিয়মিত কাজের মান, ব্যয় এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত ব্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। প্রায় তিন মাসের কাজ শেষে শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রপাতি, পরিবহনসহ সব ব্যয় পরিশোধের পর অব্যয়িত অর্থ গত মঙ্গলবার সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
আড়াইসিধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সায়েম মিঠু এবং চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফাইজুর রহমান বলেন, সরকারি প্রকল্পের অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়া সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি দৃষ্টান্ত। উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে।
- বিষয় :
- খাল খনন কর্মসূচি
- প্রশাসন
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া