ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

মার্কস অলরাউন্ডার প্রতিযোগিতা

ডেমরা ও রূপগঞ্জ থানার আঞ্চলিক পর্যায়ে ৪৫ প্রতিযোগী চূড়ান্ত

ডেমরা ও রূপগঞ্জ থানার আঞ্চলিক পর্যায়ে ৪৫ প্রতিযোগী চূড়ান্ত
×

ছবি: সমকাল

আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:১৫

বাংলাদেশে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা যাচাইয়ের জনপ্রিয় আয়োজন ‘মার্কস অলরাউন্ডার’ আবারও শুরু হয়েছে। শুক্রবার দিনব্যাপী ডেমরা থানা ও রূপগঞ্জ থানার একাংশের চর চনপাড়া এলাকার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের খুদে প্রতিভাদের মিলন মেলা বসে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আঞ্চলিক রাউন্ডে জুনিয়র (প্লে-চতুর্থ), মিডল স্কুল (পঞ্চম-অষ্টম) এবং হাইস্কুল ও কলেজ (নবম-দ্বাদশ) গ্রুপ থেকে মোট ৪৫ জন প্রতিযোগীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেন বিচারকরা।

জমজমাট প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মেডেল ও সনদপত্র। ঢাকা জোনের এই আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় গান, নাচ, অভিনয়, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, গল্প বলা ও উপস্থিত বক্তৃতা–এসব বিষয়ে অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগীরা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই নির্বাচিত প্রতিযোগীরা বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নেবে।

নাচ, আবৃত্তি, অভিনয় ও উপস্থিত বক্তৃতায় চারটি মেডেল অর্জন করেছে শামসুল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিফতাহুল জান্নাত। নিজের অনুভূতি জানিয়ে সে বলে, ‘এর আগেও আমি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছি, তবে মার্কস অলরাউন্ডারে পুরস্কার পাওয়ার আনন্দটা সত্যিই আলাদা। বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় আমি এতদূর আসতে পেরেছি। তারা পাশে না থাকলে এটি সম্ভব হতো না। শিক্ষকদের অবদানও অপরিসীম। বিশেষ করে ফয়জুল্লাহ সাঈদ স্যারের কথা বলতে চাই–আমার আবৃত্তি, অভিনয় ও গান শেখার পেছনে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি। আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।’

অন্যদিকে, অভিনয়ে তৃতীয় এবং গল্প বলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী তাহসিন হক আনিকা। আনন্দ প্রকাশ করে আনিকা বলে, ‘আমি গল্প বলতে খুব ভালোবাসি। মঞ্চে উঠে সবাই যখন মন দিয়ে শুনছিল, তখন খুব ভালো লেগেছে। মার্কস অলরাউন্ডার শিশু কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। এ আয়েজনে অংশ নিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো করতে চাই।’ 

মার্কস অলরাউন্ডার প্রতিযোগিতা তিনটি ধাপ–আঞ্চলিক, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রতিযোগিতায় তিনটি গ্রুপ থেকে সেরা তিনজন অলরাউন্ডার প্রত্যেকে পাবে ১৫ লাখ টাকার শিক্ষাবৃত্তি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের বিজয়ীদের জন্য রয়েছে সর্বমোট এক কোটি টাকারও বেশি পুরস্কার। এ ছাড়া প্রতিটি গ্রুপের ছয়টি বিষয়ে সেরা তিনজন করে মোট ৫৪ জন পারফর্মার স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক পাবে। জাতীয় পর্যায়ে তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়নদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে একটি করে কম্পিউটার।
 
 

আরও পড়ুন

×