চলন্ত বাস থেকে শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার
প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬ | ০৮:২২
| প্রিন্ট সংস্করণ
ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে এক শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাসটির হেলপার ও কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে। সাভার সরকারি কলেজের ওই শিক্ষার্থীকে ধামরাই বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁর কয়েক সহপাঠীকেও মারধর করে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ খবরে কলেজের শিক্ষার্থীরা সেলফি পরিবহন নামের ওই কোম্পানির ১১টি বাস ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকে আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে যান।
জানা গেছে, সাভার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইমনসহ কয়েকজন ধামরাই সরকারি কলেজে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য সেলফি পরিবহনের একটি বাসে উঠেন। পরে শিক্ষার্থী ভাড়া নিয়ে তাদের সঙ্গে বাসের কন্ট্রাক্টর ও হেলপারের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। বাসটি ধামরাই থানা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছলে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ইমনকে ফেলে দেওয়া হয়। অন্য ছাত্রদেরও জোরপূর্বক নামিয়ে দিয়ে বাসটি চলে যায়। স্থানীয়রা আহত ইমনকে চিকিৎসার জন্য সাভারের সুপার মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে চলন্ত বাস থেকে শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়ার খবর সাভার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা পাশের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এসে সেলফি পরিবহনের ১১টি বাস আটক করে কলেজে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাসগুলো কলেজ ক্যাম্পাসেই ছিল।
সাভার সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। ধামরাই সরকারি কলেজে এ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। বুধবার দুপুরে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা কয়েকজন সেলফি পরিবহনে সাভার থেকে ধামরাইয়ে যাচ্ছিলাম। পথে বাসের কন্ট্রাক্টর ও হেলপার মিলে ইমনকে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয়। আমাদেরও মারধর করে বাস থেকে নামিয়ে দেয়।
সাভার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হামিদ মোল্লা বলেন, বাসভাড়া নিয়ে কথাকাটাকাটির জের ধরে চলন্ত বাস থেকে ছাত্রদের ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা কয়েকটি বাস আটক করেছে। সাভার মডেল থানার ওসি আরমান আলী বলেন, সেলফি পরিবহন কর্তৃপক্ষকে আসার জন্য বলা হয়েছে। তারা এলে সমাধান করা হবে।
- বিষয় :
- অভিযোগ
