চট্টগ্রাম
অর্থ আত্মসাতের মামলায় অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তার কারাদণ্ড
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬ | ১৭:৪৩
চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ১৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় ফজলে আজিম নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে একই মামলায় তিনজন খালাস পেয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। বহদ্দারহাট বিটি শাখা থেকে জাল রেমিট্যান্স রেফারেন্স নম্বর ও ভুয়া কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করেন মামলার আসামি।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজিম অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের বহদ্দারহাট বিটি শাখায় কর্মকর্তা ছিলেন। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় থানার কলেজ রোড এলাকায়। পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এদিকে খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ রেজাত হোসেন, হামদে রাব্বি মুন্না ও রিপায়ন বড়ুয়া।
দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রনি বলেন, দুর্নীতি মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তা ফজলে আজিমকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সাত বছর ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আত্মসাৎ করা ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।
২০১১ সালে বহদ্দারহাট বিটি শাখায় বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রদানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ফজলে আজিম বিভিন্ন ভুয়া রেমিট্যান্স রেফারেন্স নম্বর তৈরি করেন। পরে জাল কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট ও ট্রান্সফার ভাউচার ব্যবহার করে ব্যাংকের এফডিডি (আলরাজী) খাত থেকে টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ ২০১৯ সালের ২০ মার্চ চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম
- কারাদণ্ড
- অর্থ আত্মসাৎ
