ছাগলনাইয়ায় নিখোঁজ যুবলীগ কর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যোবায়ের পারভেজ
ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬ | ১৬:০৯ | আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ | ১৬:২৭
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় যোবায়ের পারভেজ (৩৫) নামে কার্যত্রম নিষিদ্ধ এক নিখোঁজ যুবলীগ কর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের নিজকুঞ্জরা সমিতি বাজারসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত যোবায়ের পারভেজ নিজকুঞ্জরা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিল।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শাহদাত ও মামুন নামে দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোবায়েরের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে রাতে যোবায়েরকে দোকানে আসার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নেন কয়েকেজন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার ভোরে স্থানীয়রা একটি পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি যোবায়েরের বলে শনাক্ত করেন। নিহতের ভাই নয়ন জানান, মরদেহের দুই হাত, দুই পা ও গলা কাটা ছিল।
উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ওমর ফারুক বলেন, যোবায়ের পারভেজ ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী ছিলেন এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত যোবায়ের পারভেজের বিরুদ্ধে ডাকাতি, পুলিশের ওপর হামলাসহ একাধিক মামলা ছিল। এছাড়া বালু উত্তোলন ও নৌযান ব্যবসার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে চোরাচালান, মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগও ছিল।
অভিযুক্ত শাহদাত ও মামুনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কাউকে পাওয়া যায়নি।
ঘোপাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) রতন দেবনাথ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের দুই হাত, পা ও গলাকাটা ছিল। প্রাথমিকভাবে শাহদাত ও মামুন নামে দুইজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
- বিষয় :
- নিহত
- মরদেহ উদ্ধার
