খাল খনন
অর্ধেক টাকাই উদ্বৃত্ত, সরকারি কোষাগারে ফেরত
ছবি: সমকাল
সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬ | ০৭:১৭
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার চন্দ্রখালী খাল পুনর্খনন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর উদ্বৃত্ত এক কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে এ অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম।
সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান মোল্লাহ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ প্রকল্পের অধীনে হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় গাজীখালী নদী সংলগ্ন মুখ থেকে খলিলাবাদ স্লুইস গেট পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গত ১১ মে কাজটি শুরু হয়। শেষ হয় গত সোমবার।
তিনি আরও জানান, সরকারি নীতিমালা অনুসারে এ কর্মসূচিতে ৫০ ভাগ কাজ শ্রমিক দিয়ে এবং বাকি কাজ এক্সক্যাভেটর দিয়ে সম্পন্ন করার কথা। নীতিমালা অনুযায়ী শ্রমিক প্রয়োজন ছিল ৬৫৪ জন। তবে এই এলাকায় ওই সংখ্যক শ্রমিক পাওয়া যায়নি। কাজের জন্য ৩৪৭ জন নাম নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে প্রতিদিন গড় হাজিরা উপস্থিতি ছিল ৮০ ভাগ। এ সংকটের কারণে ১৫ ভাগ কাজ শ্রমিক দিয়ে এবং বাকি কাজ এক্সক্যাভেটর দিয়ে করা হয়েছে। এ ছাড়া খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ ও গাইডওয়াল করা হয়েছে।
সাটুরিয়া ও বালিয়াটি ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত চন্দ্রখালী খাল পুনর্খনন বাবদ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা। এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। কাজ শেষে বরাদ্দকৃত অর্থের প্রায় অর্ধেকই সরকারি কোষাগারে ফেরত যাওয়ায় প্রশংসা করছেন উপজেলার মানুষজন।
এ বিষয়ে সাটুরিয়ার ইউএনও কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজ শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। কাজ শেষে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকার প্রায় অর্ধেকই সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি সরকারি নীতিমালা অনুসারেই সম্পূর্ণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
- বিষয় :
- মানিকগঞ্জ
- খাল খনন কর্মসূচি