ঢাকা শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছুটির দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ভিড়

ছুটির দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ভিড়
×

ছবি: সমকাল

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:১৪

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কক্সবাজারে বেড়েছে পর্যটকের ভিড়। শুক্রবার বিকেলে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর দেখা যায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দে মেতে থাকতে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের।

ছুটির দিনটিতে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, কেউ সমুদ্রের পানিতে নেমে ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দ করছেন, কেউ সৈকতে বসে উপভোগ করছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য। পরিবার, বন্ধু ও স্বজন নিয়ে অনেকেই ছুটির দিনটি কাটাচ্ছেন সৈকতে। আকাশে কখনও রোদ, কখনও মেঘ; আবহাওয়ার এই রূপ পাল্টানো আমেজে বাড়তি আনন্দ পেয়েছেন পর্যটকরা। সৈকতের বালিয়াড়িতে চলছে বাচ্চাদের খেলাধুলা।

বর্ষা মৌসুমে পর্যটক কম থাকলেও এখন আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় আবারও ফিরছে সেই চিরচেনা মুখরতা। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে।

ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে আসা পর্যটক সিফাত মজুমদার বলেন, কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই হুট করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চলে এলাম। আবহাওয়ার সতর্কবার্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত খুবই সুন্দর একটা দিন পার করলাম।

পর্যটক জেনিফা মারজান বলেন, সমুদ্র আর আকাশ, এই যে সৌন্দর্য কোথাও পাওয়া যাবে না। সমুদ্রের ঢেউ আর নির্মল বাতাস ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বর্গীয় সুখের মতো। সাগরকে ঠিক এভাবেই উপভোগ করি।

সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফগার্ড কর্মী সাইফুল্লাহ সিফাত বলেন, ‘আমরা লাইফগার্ড সদস্যরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। সাগরের ঢেউ থাকায় লাল পতাকা উড়িয়ে সমুদ্রস্নানে সতর্ক করা হচ্ছে। অনেকে মানছেন, অনেকে মানছেন না। এর পরও সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টে সজাগ রয়েছি।’

পর্যটকের নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চলছে নজরদারি। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং পর্যটন শিল্পের ভালো ব্যবস্থাপনা সব সময় আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা নজরদারি করছি, যাতে কেউ অতিরিক্ত দাম নিতে এবং পর্যটকদের কোনো ধরনের হয়রানি করতে না পারে।’

সাগরের টানে কক্সবাজারের পথে পথে যেমন বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা, তেমনি নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় সবার সচেতনতাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা।

আরও পড়ুন

×