ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইনে মুহূর্তে টিকিট বিক্রি স্বপ্রণোদিত মামলা আদালতের

অনলাইনে মুহূর্তে টিকিট বিক্রি স্বপ্রণোদিত মামলা আদালতের
×
×

 সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৩২

সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী রেলের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছাড়ার (উন্মুক্ত) পর মুহূর্তে তা বিক্রি হয়ে যায়। সাধারণ যাত্রীরা টিকিট ক্রয় করতে পারেন না। এতে কালোবাজারির সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দেওয়ার পর নজরে আসে আদালতের। স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নোমান। সম্প্রতি এ মামলা করে তা তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই এর পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সিলেটে আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে এ ধরনের মামলা এই প্রথম বলে জানা গেছে। গতকাল বুধবার মামলার নথিপত্র পিবিআই এর কাছে পৌঁছেছে। মামলাটি তদন্ত করছেন উপপরিদর্শক আব্দুল আহাদ। তিনি জানিয়েছেন আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন।

জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকা উপবন, কালনি, জয়ন্তিকা, পারাবত এবং চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। সারা দেশের মতো সিলেট থেকে যাতায়াতকারী এসব ট্রেনের টিকিটও অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। কিন্তু টিকিট নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের শেষ নেই। অধিকাংশ যাত্রী অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে গিয়ে পারেন না। ফলে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তারা ক্রয় করেন। এ নিয়ে প্রায় সামাজিক মাধ্যমে অসন্তোষ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ অবস্থায় অনলাইন প্লাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বিজ্ঞ আদালতের কাছে যায়। রেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে আদালত। এতে কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি সন্দেহের সৃষ্টি করে।
আদালত মনে করেন একটি চক্র ট্রেনের টিকিট বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কারও সহায়তায় মুহূর্তেই ট্রেনের সব টিকিট কিনে নিয়ে বেশি মূল্যে তা যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষকে হয়রানির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশেও অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মাসের শেষের দিকে করা এ মামলার এজাহারে বলা হয়, টিকিট বিক্রিতে কালোবাজারি ও মজুতদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম বলেন, রেলের টিকিট অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। কেউ কেউ সরাসরি কাউন্টার থেকেও ক্রয় করেন। টিকিট বিক্রিতে তাদের কোনো হাত নেই।

আরও পড়ুন

×