ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

মিজানের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প

মিজানের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প
×
×

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামে নিজ ক্ষেতে মিজানুর রহমান সমকাল

 বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬ | ০৮:৫১

| প্রিন্ট সংস্করণ

শুরুর গল্পটা ছিল কিছুটা ভিন্ন। ফেসবুকে একটি ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হন কৃষক মিজানুর রহমান মিজান। মুহূর্তের মধ্যেই অনলাইন থেকে বীজ সংগ্রহ করে শুরু করেন পরীক্ষামূলক চাষ। সেই ‘ব্ল্যাক রাইস’ বা কালো ধান নিয়ে এখন নতুন স্বপ্ন দেখছেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের কামারপুর গ্রামের এই কৃষক।

ব্ল্যাক রাইস চাষ এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। কামারপুর গ্রামের মধ্যপাড়ার ছোট্ট মাঠজুড়ে সবুজের মাঝে ভিন্ন রঙের ধানের উপস্থিতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। খবর পেয়ে আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত কৃষক ও দর্শনার্থী দেখতে আসছেন এই ক্ষেত। 

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাক রাইসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, প্রোটিন ও খাদ্য-আঁশ রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর। প্রচলিত ধানের চেয়ে প্রতি মণে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি পাওয়া যায় বলে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও এটি চাষে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে। 
স্থানীয় কৃষক মজিদ সরদার বলেন, মিজানুরের এই উদ্যোগ সফল হলে কৃষিতে বৈচিত্র্য আসবে। 
কৃষক মিজানুর বলেন, বীজ, সার ও সেচ মিলে মোট খরচ হয়েছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। ফলন আশানুরূপ হলে আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এই ধান চাষ করবেন।
কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, বাগমারায় বছরে ৩ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হলেও ‘ব্ল্যাক রাইস’ এবারই প্রথম। পুষ্টিগুণ ভালো এবং বাজারে উচ্চমূল্য পাওয়ায় এটি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলছে। কৃষি অফিস থেকে এই উচ্চমূল্যের ধান চাষে কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

×