বাংলা চ্যানেল পাড়ি ৪০ সাঁতারুর, কিশোর রাব্বি প্রথম
অংশ নেওয়া সাঁতারুরা- সমকাল
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২০ | ০৯:২৮ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২০ | ০৯:৩৯
বঙ্গোপসাগরে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন ৪০ সাঁতারু। এই দলে একজন বিদেশি, দুই নারী ও দুই পুলিশ কর্মকর্তাও ছিলেন। এর মধ্যে প্রথম হয়েছে ১৩ বছরের এক কিশোর।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে বাংলা চ্যানেলে সাঁতার শুরু করেন ৪৩ সাঁতারু। তাদের মধ্যে তিনজন মাঝপথে থেমে যান।
১৫তম বাংলা চ্যানেল সাঁতারের আয়োজক ছিল ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার ও এক্সট্রিম বাংলা।
আয়োজক ও দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে প্রথম দ্বীপে পৌঁছায় ১৩ বছর বয়সী রাব্বি রহমান। সে সময় নেয় তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট। দ্বীপের বাসিন্দারা তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। এ ছাড়া সাইফুল ইসলাম রাসেল তিন ঘণ্টা ২১ মিনিট পাড়ি দিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। তৃতীয় হয়েছেন সোজা মোল্লা। তিনি সময় নিয়েছেন তিন ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ধাপে ধাপে বিকেল ৫টার পর বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপে পৌঁছান ৪০ সাঁতারু। সবশেষে পৌঁছান ৬৮ বছর বয়সী ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য।
রাব্বি রহমান বলেন, 'বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছি। টার্গেট ছিল যে কোনো মূল্যে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে জয়ের স্বাদ নিতে হবে। আল্লাহ সেই আশা পূরণ করেছেন। আগামীতে আরও বড় অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নিতে চাই।'

ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের নির্বাহী কর্মকর্তা লিপটন সরকার বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে এ সাঁতারের আয়োজন করা হয়। সাঁতারুরা ফ্রি হ্যান্ড সুইমিং করেন। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেকের সঙ্গে একটি করে উদ্ধারকারী নৌকা ছিল। এ ছাড়া কোস্টগার্ডের সার্ভিস বোট, জরুরি নৌকা ও ডুবুরি ছিলেন। এবারের বাংলা চ্যানেল সাঁতারের সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও পর্যটন বোর্ড। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল ফরচুন গ্রুপ, পৃষ্ঠপোষক ভিসা থিং ও এনসিসি ব্যাংক। অংশীদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, স্টুডিও ঢাকা ও ষড়জ এবং রেসকিউ পার্টনার বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
অ্যাডভেঞ্চার গুরুখ্যাত প্রয়াত কাজী হামিদুল হক সমুদ্র সাঁতারের উপযোগী বঙ্গোপসাগরের এই বাংলা চ্যানেল আবিস্কার করেন। ২০০৬ সালে প্রথমবার আয়োজনে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেন লিপটন সরকার, ফজলুল কবির ও সালমান সাঈদ।
- বিষয় :
- বঙ্গোপসাগর
- বাংলা চ্যানেল
- সাঁতারু
