সার ডিলার নীতিমালা বাতিলের দাবি বিএফএ’র
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ৩৩ জন পরিচালক শপথ নেওয়ার পর তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। ছবি: সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ২২:৫৮ | আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬ | ২৩:০০
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) ২০২৬-২৮ মেয়াদের নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব নিয়েছে। নতুন কমিটি বিদ্যমান সার ডিলারশিপ ব্যবস্থা বহাল রাখা, ২০২৫ সালের সার ডিলার নীতিমালা সংশোধন বা বাতিল এবং দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকা ডিলার কমিশন প্রতি টনে ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় উন্নীত করাকে অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে।
আজ রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয়নগরের আল রাজি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ৩৩ জন পরিচালক শপথ নেন। নির্বাচন বোর্ডের সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হাসিব সরকার তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মুস্তাফিজুর রহমান এবং নির্বাচন বোর্ডের সদস্য শেখ শামসুল আরেফীন উপস্থিত ছিলেন। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেনের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর মো. মোশাররফ হোসেন জানান, প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কৃষকের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়া এবং সার আমদানি ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের সার ডিলার নীতিমালার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাঁর দাবি, ১৬ বছর ধরে বিদ্যমান ডিলাররা সুষ্ঠুভাবে সার বিতরণ করেছেন এবং বড় ধরনের অনিয়ম ঘটেনি। এর পরও বর্তমান ডিলারদের বাদ দিয়ে নতুন করে বিসিআইসির ডিলার অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার বিরোধিতা করবে বিএফএ।
মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে ডিলার কমিশনের হার অপরিবর্তিত রয়েছে। কমিশন প্রতি টনে ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকার দ্রুত এ প্রস্তাব অনুমোদন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিএফএর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান রাজু, এস এম বাবুল, মো. নুর আলম পাটোয়ারি, মোহাম্মদ হাকিম আলী এবং পরিচালক (অর্থ) মো. আলাউদ্দিন চৌধুরী বক্তব্য দেন।
১১ জুলাই অনুষ্ঠিত বিএফএর নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোশাররফ অ্যান্ড ব্রাদার্সের (মোশাররফ গ্রুপ) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ১ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন পান মাত্র ৪৩ ভোট।