সুনামগঞ্জে দুই নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে
ছবি: সমকাল
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬ | ১৬:৫৬
টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের দুইটি নদীর পানি আবারও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, জেলার শাল্লা উপজেলার মারকুলি স্টেশনে কুশিয়ারা নদী এবং ছাতক স্টেশনে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাতক পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি ৩০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, অর্থাৎ ৮.৯০ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে মারকুলি পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, অর্থাৎ ৭.১০ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে।
আবহাওয়া সংস্থার তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার মহেশখোলায় সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া লাউড়েরগড়ে ১৪০ মিলিমিটার এবং সুনামগঞ্জ সদরে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এদিকে উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে একই সময়ে উইলিয়ামনগরে ৩৭১ মিলিমিটার, সোহরায় ২৮২ মিলিমিটার, চেরাপুঞ্জিতে ২৭৯ মিলিমিটার এবং তুরায় ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
পাউবো জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও কুশিয়ারা নদীর পানি সামান্য কমেছে। তবে আগামী তিন দিনে দুই নদীর পানিই আবার বাড়তে পারে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে কয়েকটি স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
- বিষয় :
- বিপদ সংকেত
- নদী
- পানি