নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের মডেলের প্রশংসা কূটনীতিকদের
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২২ | ০৯:৪২ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২২ | ০৯:৪২
দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সামাজিক উন্নয়নে নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতায় বাংলাদেশে উদ্ভাবিত মডেলগুলো প্রশংসিত হয়েছে। কার্যকারিতার কারণে এগুলো প্রশংসার দাবি রাখে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ ও রুয়ান্ডার স্থায়ী মিশন এবং ব্র্যাক আয়োজিত অনলাইন আলোচনা সভার বক্তারা। তাঁরা বলেছেন, একটি দেশে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের ভূমিকা থাকে। দেশের কার্যকর প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে অর্থপূর্ণ অংশীদারিত্ব থাকা অত্যাবশ্যক। টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন এবং দারিদ্র্যের বহুমাত্রিক সমস্যা নিরসনে প্রয়োজন এমন সমাধান, যা ব্যয়সাশ্রয়ী, সহজে প্রসারযোগ্য ও সহজ।
রাবাব ফাতিমা বলেন, একটি দেশকে টেকসই ও স্থায়ীভাবে উন্নয়নের পথরেখায় স্থাপন করতে হলে চাই আঞ্চলিক, বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ের অর্থপূর্ণ অংশীদারিত্ব। ৫০ বছর ধরে ব্র্যাক এই কাজটিই করছে। বহু সফল মডেল তারা উপস্থাপন করেছে এবং এসব মডেল উদ্ভাবন ও প্রয়োগে বিভিন্ন দেশের সরকার, জাতিসংঘ, বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সহযোগীদের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে ব্র্যাক। এসব মডেল দক্ষিণের দেশগুলোয় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে কাজে লাগানো যেতে পারে।
অতিদারিদ্র্য বিমোচনে ব্র্যাকের যুগান্তকারী 'গ্র্যাজুয়েশন অ্যাপ্রোচ' মডেলের সাফল্য তুলে ধরে ব্র্যাকের প্রধান নির্বাহী বলেন, ২০ বছর আগে গ্র্যাজুয়েশন অ্যাপ্রোচের বহুমাত্রিক কৌশল প্রয়োগ করে বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে উদ্যোগ নেয় ব্র্যাক। এর মাধ্যমে দেশের ২১ লাখ পরিবারের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি, যাদের ৯৫ শতাংশই নিজেদের জন্য টেকসই জীবিকা সৃষ্টি করতে পেরেছে। দীর্ঘ মেয়াদে তাদের অতিদারিদ্র্য থেকে উত্তরণ ঘটেছে।
