ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পি কে হালদারসহ ২০ জনের সম্পদ, পাসপোর্ট ও হিসাব জব্দই থাকছে

পি কে হালদারসহ ২০ জনের সম্পদ, পাসপোর্ট ও হিসাব জব্দই থাকছে
×

পি কে হালদার- ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৯:৩৯

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) ২০ জনের সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন। আদেশে সংশ্নিষ্ট ২০ জনকে তাদের আয়কর রিটার্ন জমারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডে বিনিয়োগকারী দু'জনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি পি কে হালদারসহ ২০ জনের সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের আদেশের আওতায় পি কে হালদার ছাড়া অন্য ১৯ জন হলেন- কোম্পানির চেয়ারম্যান এম এ হাসেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নুরুল আলম, পরিচালক জহিরুল আলম, নাসিম আনোয়ার, বাসুদেব ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, মোমতাজ বেগম, নওশেরুল ইসলাম, আনোয়ারুল কবির, প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, আবুল হাসেম, মো. রাশেদুল হক, পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, স্ত্রী সুস্মিতা সাহা, ভাই প্রিতুষ কুমার হালদার, চাচাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী, অভিজিৎ অধিকারী, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক পরিচালক ইরফান উদ্দিন আহমেদ, পি কে হালদারের বন্ধু উজ্জ্বল কুমার নন্দী। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে পি কে হালদারের দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, পি কে হালদার প্রথমে রিলায়েন্স ফাইন্যান্স এবং পরে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন। এই দুই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যাংকবহির্ভূত চার আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল করেন। এরই মধ্যে একটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড। দখল করা প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে টাকা সরিয়ে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। ওই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। একটি বিলুপ্তের পথে, বাকি তিনটিও গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। এদিকে, অবৈধ ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌনে ৩০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে গত ৮ জানুয়ারি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরও পড়ুন

×