লাফার্জ-হোলসিমের প্রধান কার্যালয় লে-অফ ঘোষণা
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২০ | ০৯:১৫ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় প্রধান কার্যালয় লে-অফ (বন্ধ) ঘোষণা সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ-হোলসিম, বাংলাদেশ। গত ১২ এপ্রিল থেকে এই লে-অফ কার্যকর হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও শ্রম অধিদপ্তরকে এ নোটিশের তথ্য জানানো হয়েছে।
লাফার্জ-হোলসিমের জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলের বেশিরভাগ সময় লে-অফে থাকলেও কোম্পানির সব কর্মী পুরো মাসের বেতন-ভাতা পাবেন। ইতোমধ্যে গত মার্চ মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। কোম্পানির নির্বাহী কমিটি, শেয়ার অফিস, গণসংযোগ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিভাগ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং সংকট মোকাবিলা ব্যবস্থাপনা কমিটির ক্ষেত্রে লে-অফ প্রযোজ্য হবে না।
শ্রম অধিদপ্তরে পাঠানো নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, করোনার প্রভাবে সিমেন্ট বিক্রি আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় কোম্পানি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করোনা মহামারি আকারে রূপ নেওয়ায় কর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় সাময়িকভাবে অফিস কার্যক্রম বন্ধ রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিমেন্ট খাতের অন্যতম প্রধান এ কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০০৬ এর ১২(৮) এবং ১৬ ধারার ক্ষমতাবলে এই লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রধান কার্যালয়ে লে-অফ ঘোষণা হলেও কোম্পানিটির সিলেটের ছাতক, বাগেরহাটের মোংলা এবং নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ঘাট- এই চারটি কারাখানার উৎপাদন কার্যক্রম সীমিতভাবে চলছে।
লে-অফের মেয়াদ বাড়ানোর দরকার হলে পরবর্তী সময়ে নোটিশের মাধ্যমে জানাবে কোম্পানি। কোম্পানিটি তার সব স্থায়ী কর্মীকে স্ব স্ব জায়গায় অবস্থান করতে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে লকডাউন তুলে নেওয়া হলে পুনরায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু করা যায়।
