ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে জমি ফেলে রাখা যাবে না: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে জমি ফেলে রাখা যাবে না: খাদ্যমন্ত্রী
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ মে ২০২০ | ১০:৩৩ | আপডেট: ১১ মে ২০২০ | ১১:০৯

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন করোনা পরবর্তী দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি আবাদযোগ্য জমিতে ফসলের আবাদ করতে হবে; কোন জমিই অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, চলতি বোরো মওসুমে সারাদেশে বাম্পার ফলন হয়েছে। সঠিক সময়ে নতুন ফসল ঘরে তুলতে পারলে খাদ্যের সমস্যা হবে না।

সোমবার সকাল ১১টায় মন্ত্রীর মিন্টো রোডস্থ সরকারি বাসভবন থেকে রংপুর বিভাগের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

ভিডিও কনফারেন্সে রংপুর বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলার করোনা মোকাবেলা পরিস্থিতি, চলতি বোরো ধান কাটা-মাড়াই, সরকারীভাবে ধান চাল সংগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী।

রংপুর বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, কৃষকের স্বার্থের কথা চিন্তা করে; তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য ধান-চাল কেনার ক্ষেত্রে ধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এবারের মৌসুমে ৮ লক্ষ মেট্রিক টন ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করা হবে; যা করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় সহায়ক হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের মতো আমাদের দেশও একটা মহামারির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে; করোনা পরবর্তী খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পরস্পর পরস্পরের সাথে মিলেমিশে, ভালো আচরণ করার মাধ্যমে, সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিত্য-নতুন উদ্যোগ নিয়ে চলমান বোরো সংগ্রহ শতভাগ সফল করতে হবে। 

ভিডিও কনফারেন্সে খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, কোনোভাবেই পুরান চাল নেয়া যাবে না; চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে যে সংগ্রহকৃত চাল এবারের বোরো ধানের চাল; পাশাপাশি বস্তার গায়ে স্টেনসিল ব্যবহার করার নির্দেশ দেন তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সে রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, রংপুর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রংপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার জেলা প্রশাসকগণ, রংপুর বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকগণ বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন

×