সংক্রমণের ঢেউ শহরতলিতে
×
জয়নাল আবেদীন
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২০ | ১২:০০
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়াবহতা এখনও সিটি করপোরেশন, মহানগরী এবং জেলা শহরেই সীমাবদ্ধ। তবে সংক্রমণের ঢেউ পৌঁছে গেছে শহরতলিতেও। বিশেষ করে শহর ঘিরে থাকা চারপাশের উপজেলাগুলো আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। দেশের আটটি জেলার তথ্য বিশ্নেষণ করে দেখা গেছে, এসব শহর-সংলগ্ন উপজেলাগুলোতে প্রতিদিনই অবস্থার অবনতি ঘটছে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, কক্সবাজার এবং বগুড়ার ৭০টি উপজেলার তথ্য বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, এসব উপজেলায় গত শনিবার পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে শহর-লাগোয়া ২২ উপজেলাতেই শনাক্ত ৭ হাজার ১৭০ জন। যা মোট উপজেলায় শনাক্তের ৬০ শতাংশ। শহরের আশপাশে অবস্থিত উপজেলাগুলোকে সাধারণত উপকণ্ঠ বা শহরতলি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সে রকম কয়েকটি উপজেলায় সংক্রমণ অনেক জেলাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, শহরতলিতে সংক্রমণ চোখে পড়ার মতো। শহরের সঙ্গে নিবিড় সংযোগই এর কারণ। অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্য শহরকেন্দ্রিক। কিন্তু থাকেন শহরের নিকটস্থ উপজেলায়। এ জন্য প্রতিদিনই সকাল-বিকেল তাদের যাওয়া-আসা করতে হয়। সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার নির্দেশনাও উপেক্ষিত। ফলে গ্রামের তুলনায় শহর-লাগোয়া উপজেলায় সংক্রমণ বাড়ছেই।
ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মাঈনুল আহসান সমকালকে বলেন, পাঁচটি উপজেলায় শনিবার পর্যন্ত শনাক্ত দুই হাজার ৩১২ জন। এর মধ্যে প্রায় ৬৭ শতাংশই কেরানীগঞ্জ এবং সাভারে। দুই উপজেলায় শনাক্ত যথাক্রমে ৮২১ এবং ৭১৯ জন। দুটি উপজেলাই ঘনবসতিপূর্ণ, কলকারখানা সমৃদ্ধ এবং ঢাকার সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ রয়েছে। এ জন্য শনাক্তের হার বেশি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত নির্দেশনার বাইরে বাড়তি কোনো পদক্ষেপ আপাতত নেই।
চট্টগ্রাম জেলায় শনিবার পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৪ জন। ১৪টি উপজেলায় শনাক্ত হয় এক হাজার ৯৫১ জন। এর ৫২ শতাংশই শহর-সংলগ্ন চার উপজেলায়। হাটহাজারীতে ৩৬১, পটিয়ায় ২৪৯, সীতাকুণ্ডে ২১৮ এবং বোয়ালখালীতে ১৯৫ জন। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি সমকালকে বলেন, সতর্কতার অংশ হিসেবে বর্তমানে অধিক সংক্রমিত উপজেলায় নমুনা পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। এর বাইরে সবগুলো উপজেলার তালিকা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলায় শনাক্ত চার হাজার ৫৩০ জনের মধ্যে এক হাজার ৫৬২ জন সিটি করপোরেশন এলাকার। এক হাজার ১৩০ জন শনাক্ত হয়েছে সদর উপজেলায়। বাকি চার উপজেলার মধ্যে তিন উপজেলাতে সংক্রমণের হার ৯২ শতাংশ। শুধু বন্দরের অবস্থা তুলনামূলক
ভালো। রূপগঞ্জে শনাক্ত হয়েছে ৮৬২ জন। নারায়ণগঞ্জের চেয়ে রাজধানীর সম্পৃক্ততা এ উপজেলাকে সংক্রমণের চক্রে ঢুকিয়েছে বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ শহরের সঙ্গে ভালো সংযোগের ফলে আড়াইহাজারে ৪৩৮ এবং সোনারগাঁয় ৩৯২ জন শনাক্ত হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় শনাক্ত এক হাজার ৬৫৭ জনের মধ্যে এক হাজার ১০৪ জনই সদরের বাইরের আটটি উপজেলায়। এর প্রায় ৭৪ শতাংশই সদর-সংলগ্ন তিনটি উপজেলায়। এর মধ্যে বেগমগঞ্জে ৫৬৭, কবিরহাটে ১৩৫ এবং চাটখিলে ১১০ জন।
গাজীপুরে শনাক্ত দুই হাজার ৮১৫ জনের মধ্যে এক হাজার ৮২৩ জনই সিটি করপোরেশন এবং সদর উপজেলার। বাকি ৯৪২ জন শনাক্ত চার উপজেলায়। এর মধ্যে শহর-সংলগ্ন দুই উপজেলাতেই শনাক্ত প্রায় ৫৯ শতাংশ; কালিয়াকৈরে ৩২৯ এবং কালীগঞ্জে ২২৪ জন। এ ছাড়া শ্রীপুরে ২২৭ এবং কাপাসিয়ায় ১৬২ জন শনাক্ত হয়েছে।
কক্সবাজার জেলায় শনাক্ত এক হাজার ৯৯১ জনের মধ্যে সদরেই ৯১৭ জন। বাকি ৭ উপজেলায় শনাক্ত এক হাজার ৭৪ জন। এর মধ্যে শহর-সংলগ্ন দুই উপজেলাতেই প্রায় ৫২ শতাংশ; চকরিয়ায় ২৮৫ জন এবং উখিয়ায় ২৬৯ জন।
কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় শনাক্ত দুই হাজার ৬০২ জন। এর ২৫ শতাংশ সংক্রমিত হয়েছে শহরে। বাকিদের ৪০ ভাগই শহর-সংলগ্ন চারটি উপজেলায়। এগুলোর মধ্যে দ্বেবিদারে ২৭০, মুরাদনগরে ২০৮, চান্দিনায় ১৭৩ এবং বুড়িচংয়ে ১৩০ জন। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান সমকালকে বলেন, অনেকগুলো জেলার ট্রানজিট পয়েন্ট হওয়ায় কুমিল্লায় সংক্রমণের গতি বাড়ছেই।
বগুড়ায় শনাক্ত দুই হাজার ১৮৫ জনের মধ্যে এক হাজার ৪৮০ জনই শহর এলাকার। ১১টি উপজেলা মিলে শনাক্ত ৭০৫ জন। প্রায় সবগুলো উপজেলার অবস্থা তুলনামূলক ভালো। তবে শহর-সংলগ্ন হওয়ায় গাবতলী (১২৩ জন) এবং শাজাহানপুরে (৯২ জন) সংক্রমণের হার কিছুটা বেশি। এই হার উপজেলার মধ্যে প্রায় ৩১ শতাংশ।
রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় সমকালকে জানান, আট উপজেলায় শনাক্ত হয়েছে ৭৫৫ জন। শহরে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। তবে শহরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সূত্রে তারাগঞ্জ এবং মিঠাপুকুর উপজেলায়ও সংক্রমণ বাড়ছে।
অন্যদিকে, সিলেটের চিত্র উল্টো। এখানে শহর-সংলগ্ন উপজেলায় তুলনামূলক সংক্রমণ কম আর দূরের উপজেলায় বেশি। সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল জানান, সিলেটে মোট শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৮১৪ জন। ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শহর থেকে দূরে হলেও জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের প্রতিটিতে শনাক্ত একশ' ছাড়িয়েছে। দক্ষিণ সুরমার ইউএনও মিন্টু চৌধুরী বলেছেন, শহর-লাগোয়া উপজেলা হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলায় এখানে সংক্রমণ কম। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৪৪ জন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি সুস্থ হয়ে গেছে। এ ছাড়া গোলাপগঞ্জে ১০৩, বিশ্বনাথে ৬৮, বিয়ানীবাজারে ৪৯, ওসমানীনগরে ৩৫, জৈন্তাপুরে ৪৮ ও ফেঞ্চুগঞ্জে ৩৬ জন শনাক্ত হয়েছে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, কক্সবাজার এবং বগুড়ার ৭০টি উপজেলার তথ্য বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, এসব উপজেলায় গত শনিবার পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে শহর-লাগোয়া ২২ উপজেলাতেই শনাক্ত ৭ হাজার ১৭০ জন। যা মোট উপজেলায় শনাক্তের ৬০ শতাংশ। শহরের আশপাশে অবস্থিত উপজেলাগুলোকে সাধারণত উপকণ্ঠ বা শহরতলি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সে রকম কয়েকটি উপজেলায় সংক্রমণ অনেক জেলাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, শহরতলিতে সংক্রমণ চোখে পড়ার মতো। শহরের সঙ্গে নিবিড় সংযোগই এর কারণ। অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্য শহরকেন্দ্রিক। কিন্তু থাকেন শহরের নিকটস্থ উপজেলায়। এ জন্য প্রতিদিনই সকাল-বিকেল তাদের যাওয়া-আসা করতে হয়। সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার নির্দেশনাও উপেক্ষিত। ফলে গ্রামের তুলনায় শহর-লাগোয়া উপজেলায় সংক্রমণ বাড়ছেই।
ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মাঈনুল আহসান সমকালকে বলেন, পাঁচটি উপজেলায় শনিবার পর্যন্ত শনাক্ত দুই হাজার ৩১২ জন। এর মধ্যে প্রায় ৬৭ শতাংশই কেরানীগঞ্জ এবং সাভারে। দুই উপজেলায় শনাক্ত যথাক্রমে ৮২১ এবং ৭১৯ জন। দুটি উপজেলাই ঘনবসতিপূর্ণ, কলকারখানা সমৃদ্ধ এবং ঢাকার সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ রয়েছে। এ জন্য শনাক্তের হার বেশি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত নির্দেশনার বাইরে বাড়তি কোনো পদক্ষেপ আপাতত নেই।
চট্টগ্রাম জেলায় শনিবার পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৪ জন। ১৪টি উপজেলায় শনাক্ত হয় এক হাজার ৯৫১ জন। এর ৫২ শতাংশই শহর-সংলগ্ন চার উপজেলায়। হাটহাজারীতে ৩৬১, পটিয়ায় ২৪৯, সীতাকুণ্ডে ২১৮ এবং বোয়ালখালীতে ১৯৫ জন। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি সমকালকে বলেন, সতর্কতার অংশ হিসেবে বর্তমানে অধিক সংক্রমিত উপজেলায় নমুনা পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। এর বাইরে সবগুলো উপজেলার তালিকা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলায় শনাক্ত চার হাজার ৫৩০ জনের মধ্যে এক হাজার ৫৬২ জন সিটি করপোরেশন এলাকার। এক হাজার ১৩০ জন শনাক্ত হয়েছে সদর উপজেলায়। বাকি চার উপজেলার মধ্যে তিন উপজেলাতে সংক্রমণের হার ৯২ শতাংশ। শুধু বন্দরের অবস্থা তুলনামূলক
ভালো। রূপগঞ্জে শনাক্ত হয়েছে ৮৬২ জন। নারায়ণগঞ্জের চেয়ে রাজধানীর সম্পৃক্ততা এ উপজেলাকে সংক্রমণের চক্রে ঢুকিয়েছে বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ শহরের সঙ্গে ভালো সংযোগের ফলে আড়াইহাজারে ৪৩৮ এবং সোনারগাঁয় ৩৯২ জন শনাক্ত হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় শনাক্ত এক হাজার ৬৫৭ জনের মধ্যে এক হাজার ১০৪ জনই সদরের বাইরের আটটি উপজেলায়। এর প্রায় ৭৪ শতাংশই সদর-সংলগ্ন তিনটি উপজেলায়। এর মধ্যে বেগমগঞ্জে ৫৬৭, কবিরহাটে ১৩৫ এবং চাটখিলে ১১০ জন।
গাজীপুরে শনাক্ত দুই হাজার ৮১৫ জনের মধ্যে এক হাজার ৮২৩ জনই সিটি করপোরেশন এবং সদর উপজেলার। বাকি ৯৪২ জন শনাক্ত চার উপজেলায়। এর মধ্যে শহর-সংলগ্ন দুই উপজেলাতেই শনাক্ত প্রায় ৫৯ শতাংশ; কালিয়াকৈরে ৩২৯ এবং কালীগঞ্জে ২২৪ জন। এ ছাড়া শ্রীপুরে ২২৭ এবং কাপাসিয়ায় ১৬২ জন শনাক্ত হয়েছে।
কক্সবাজার জেলায় শনাক্ত এক হাজার ৯৯১ জনের মধ্যে সদরেই ৯১৭ জন। বাকি ৭ উপজেলায় শনাক্ত এক হাজার ৭৪ জন। এর মধ্যে শহর-সংলগ্ন দুই উপজেলাতেই প্রায় ৫২ শতাংশ; চকরিয়ায় ২৮৫ জন এবং উখিয়ায় ২৬৯ জন।
কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় শনাক্ত দুই হাজার ৬০২ জন। এর ২৫ শতাংশ সংক্রমিত হয়েছে শহরে। বাকিদের ৪০ ভাগই শহর-সংলগ্ন চারটি উপজেলায়। এগুলোর মধ্যে দ্বেবিদারে ২৭০, মুরাদনগরে ২০৮, চান্দিনায় ১৭৩ এবং বুড়িচংয়ে ১৩০ জন। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান সমকালকে বলেন, অনেকগুলো জেলার ট্রানজিট পয়েন্ট হওয়ায় কুমিল্লায় সংক্রমণের গতি বাড়ছেই।
বগুড়ায় শনাক্ত দুই হাজার ১৮৫ জনের মধ্যে এক হাজার ৪৮০ জনই শহর এলাকার। ১১টি উপজেলা মিলে শনাক্ত ৭০৫ জন। প্রায় সবগুলো উপজেলার অবস্থা তুলনামূলক ভালো। তবে শহর-সংলগ্ন হওয়ায় গাবতলী (১২৩ জন) এবং শাজাহানপুরে (৯২ জন) সংক্রমণের হার কিছুটা বেশি। এই হার উপজেলার মধ্যে প্রায় ৩১ শতাংশ।
রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় সমকালকে জানান, আট উপজেলায় শনাক্ত হয়েছে ৭৫৫ জন। শহরে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। তবে শহরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের সূত্রে তারাগঞ্জ এবং মিঠাপুকুর উপজেলায়ও সংক্রমণ বাড়ছে।
অন্যদিকে, সিলেটের চিত্র উল্টো। এখানে শহর-সংলগ্ন উপজেলায় তুলনামূলক সংক্রমণ কম আর দূরের উপজেলায় বেশি। সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল জানান, সিলেটে মোট শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৮১৪ জন। ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শহর থেকে দূরে হলেও জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের প্রতিটিতে শনাক্ত একশ' ছাড়িয়েছে। দক্ষিণ সুরমার ইউএনও মিন্টু চৌধুরী বলেছেন, শহর-লাগোয়া উপজেলা হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলায় এখানে সংক্রমণ কম। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৪৪ জন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি সুস্থ হয়ে গেছে। এ ছাড়া গোলাপগঞ্জে ১০৩, বিশ্বনাথে ৬৮, বিয়ানীবাজারে ৪৯, ওসমানীনগরে ৩৫, জৈন্তাপুরে ৪৮ ও ফেঞ্চুগঞ্জে ৩৬ জন শনাক্ত হয়েছে।
- বিষয় :
- করোনা