রিজেন্ট ও জেকেজিকাণ্ড
দুর্নীতির তথ্য চেয়ে ৯ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
×
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২০ | ১২:০০
শুধু করোনা টেস্টে জালিয়াতি নয়, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের দুর্নীতির শেকড় আরও গভীরে। এরই মধ্যে তার মালিকানাধীন আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারের প্রভাবশালীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে অল্প সময়ে তিনি সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। তার দুর্নীতি খুঁজে বের করতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে দুদক।
সূত্র জানায়, দেশি-বিদেশি ব্যাংকে সাহেদের সব হিসাব জব্দ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এবং করোনা চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে রিজেন্টের চুক্তির যাবতীয় নথিপত্র চেয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এবং তার আয়কর নথি চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে দুদক। পাশাপাশি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ (ডিএনসিসি) সংশ্নিষ্ট ৯ প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুদক উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকের স্বাক্ষর করা ওইসব চিঠি পাঠানো হয়। সাহেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগটি সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে চিঠিতে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সাহেদের বিরুদ্ধে দেশের সরলমনা মানুষকে অতি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে। এমএলএম কোম্পানির নথি চেয়ে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া করোনার নমুনা পরীক্ষায় ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় র্যাবের করা তিন মামলার কপি চেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সাহেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ও আনুষঙ্গিক তথ্য চেয়ে ডিএনসিসির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতে শাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেড, রিজেন্ট ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা সেন্ট্রাল কলেজ, মুনলাইট রিসোর্ট, ফোর স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, মুনলাইট বিল্ডার্স, রিজেন্ট কেসিএস লিমিটেড, দৈনিক অন্য দিগন্ত ও কর্মমুখী কর্মসংস্থান সোসাইটির তথ্য চাওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর উত্তরার তার করপোরেট অফিস সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সাহেদের ব্যাংকিং হিসাব সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উত্তরা শাখার ম্যানেজার, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের বিমানবন্দর শাখার ম্যানেজার, এনবিআরের কর অঞ্চল-৯-এর উপ-কর কমিশনার ও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে পাঠানো চিঠিতে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখার নিবন্ধন ইস্যু, নবায়নের সত্যায়িত কপি, কভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে হাসপাতাল দুটির সঙ্গে অধিদপ্তরের চুক্তি সংক্রান্ত নথিপত্রসহ সংশ্নিষ্ট অন্যান্য নথিপত্রের সত্যায়িত কপি যথা শিগগির পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দুদক উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যেরে একটি বিশেষ টিম সাহেদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে। এই অনুসন্ধান কার্যক্রম তদারক করছেন কমিশনের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ অনু বিভাগের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।
গতকাল ওই ৯ প্রতিষ্ঠানে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, সাহেদের বিরুদ্ধে মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ, বহুমাত্রিক জালজালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎপূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
ডা. সাবরিনার দুর্নীতি অনুসন্ধানে কর্মকর্তা নিযুক্ত :জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর সম্পদ অনুসন্ধানে গতকাল মঙ্গলবার দুদক উপপরিচালক সেলিনা আখতার মনিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অনুসন্ধানের জন্য টিম গঠনের প্রয়োজন হলে পরে তা করা হবে। সাবরিনার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতি, প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে দুদকের কাছে। এই অনুসন্ধান কার্যক্রমটিও দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন তদারকি করছেন।
সূত্র জানায়, জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র জানায়, দেশি-বিদেশি ব্যাংকে সাহেদের সব হিসাব জব্দ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এবং করোনা চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে রিজেন্টের চুক্তির যাবতীয় নথিপত্র চেয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এবং তার আয়কর নথি চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে দুদক। পাশাপাশি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ (ডিএনসিসি) সংশ্নিষ্ট ৯ প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুদক উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকের স্বাক্ষর করা ওইসব চিঠি পাঠানো হয়। সাহেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগটি সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে চিঠিতে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সাহেদের বিরুদ্ধে দেশের সরলমনা মানুষকে অতি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে। এমএলএম কোম্পানির নথি চেয়ে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া করোনার নমুনা পরীক্ষায় ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় র্যাবের করা তিন মামলার কপি চেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সাহেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ও আনুষঙ্গিক তথ্য চেয়ে ডিএনসিসির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতে শাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেড, রিজেন্ট ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা সেন্ট্রাল কলেজ, মুনলাইট রিসোর্ট, ফোর স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, মুনলাইট বিল্ডার্স, রিজেন্ট কেসিএস লিমিটেড, দৈনিক অন্য দিগন্ত ও কর্মমুখী কর্মসংস্থান সোসাইটির তথ্য চাওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর উত্তরার তার করপোরেট অফিস সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সাহেদের ব্যাংকিং হিসাব সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উত্তরা শাখার ম্যানেজার, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের বিমানবন্দর শাখার ম্যানেজার, এনবিআরের কর অঞ্চল-৯-এর উপ-কর কমিশনার ও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে পাঠানো চিঠিতে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখার নিবন্ধন ইস্যু, নবায়নের সত্যায়িত কপি, কভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে হাসপাতাল দুটির সঙ্গে অধিদপ্তরের চুক্তি সংক্রান্ত নথিপত্রসহ সংশ্নিষ্ট অন্যান্য নথিপত্রের সত্যায়িত কপি যথা শিগগির পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দুদক উপপরিচালক আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যেরে একটি বিশেষ টিম সাহেদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে। এই অনুসন্ধান কার্যক্রম তদারক করছেন কমিশনের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ অনু বিভাগের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।
গতকাল ওই ৯ প্রতিষ্ঠানে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, সাহেদের বিরুদ্ধে মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ, বহুমাত্রিক জালজালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎপূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
ডা. সাবরিনার দুর্নীতি অনুসন্ধানে কর্মকর্তা নিযুক্ত :জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর সম্পদ অনুসন্ধানে গতকাল মঙ্গলবার দুদক উপপরিচালক সেলিনা আখতার মনিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অনুসন্ধানের জন্য টিম গঠনের প্রয়োজন হলে পরে তা করা হবে। সাবরিনার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতি, প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে দুদকের কাছে। এই অনুসন্ধান কার্যক্রমটিও দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন তদারকি করছেন।
সূত্র জানায়, জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
- বিষয় :
- দুদক