ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

‘মীন সন্ধানী’ জাহাজের জরিপ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মৎস্য উপদেষ্টা

‘মীন সন্ধানী’ জাহাজের জরিপ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মৎস্য উপদেষ্টা
×

গবেষণা জাহাজ ‘আর ভি মীন সন্ধানী’ এর জরিপ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৬:৪৪ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৭:২৫

বঙ্গোপসাগরে মৎস্য গবেষণায় নিয়োজিত মৎস্য অধিদপ্তরের গবেষণা জাহাজ ‘আর ভি মীন সন্ধানী’ এর জরিপ ও গবেষণা কার্যক্রম শুক্রবার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। উপদেষ্টা জাহাজে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণার অগ্রগতি ও সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন। জাহাজটি সমুদ্রের গভীরতা, তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, পানির গুণমান ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, ওই দিন বিকেলে কক্সবাজারের ইনানি থেকে ৫ নটিক্যাল মাইল গভীর সমুদ্রে ডেমারসাল সার্ভে এবং রাতে কলাতলী থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল গভীর সমুদ্রে শ্রিম্প সার্ভে পরিচালনা করা হয়। এ সময় ট্রলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে যথাক্রমে ২০ প্রজাতির মাছ এবং ১০ প্রজাতির চিংড়ি আহরণ করা হয়। ট্রল নেট সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ ও আর ভি মীন সন্ধানী জাহাজের স্কিপার লে. কমান্ডার শরফুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালক ড. মঈন উদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন গবেষণা তথ্য উপস্থাপন করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পর্যন্ত আর ভি মীন সন্ধানী জাহাজ দ্বারা ৫৪টি ক্রুজ পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অঞ্চল ও গভীরতা থেকে ৪৫৯ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী শনাক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৩৫৩ প্রজাতির মাছ, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি, ৩০ প্রজাতির হাঙর ও হাউস, ২৭ প্রজাতির কাঁকড়া, ৩ প্রজাতির লবস্টার, ১৪ প্রজাতির সেফালোপোড ও ৬ প্রজাতির সামুদ্রিক সাপ। জাহাজটি বর্তমানে শ্রিম্প সার্ভে (১০-১০০ মিটার), ডেমারসাল সার্ভে (১০-২০০ মিটার) ও পেলাজিক সার্ভে (১০-২০০ মিটার) কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
 

আরও পড়ুন

×