পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ
বাংলাদেশের আদালতে ব্রিটিশ এমপির কারাদণ্ড
শেখ হাসিনার ৫, রেহানার ৭ ও টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড
টিউলিপ সিদ্দিক
সমকাল ও আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৮:০৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
পূর্বাচল নতুন শহরে প্লট দুর্নীতির আরেক মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছর, তাঁর বোন শেখ রেহানাকে সাত বছর এবং মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্লট বরাদ্দ দেওয়ায় আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম গতকাল সোমবার এ রায় দেন।
দুদকের দায়ের করা এ মামলার ১৭ আসামির মধ্যে বাকি ১৪ জনের প্রত্যেককে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। রায়ে আসামির প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শেখ রেহানার নামে পূর্বাচলের ১০ কাঠা প্লটের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ দিয়ে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
এ মামলায় ১৭ আসামির মধ্যে একমাত্র রাজউকের সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
রায়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপকে ‘প্রিভেনশন অব করাপশন অ্যাক্ট ১৯৪৭’-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। টিউলিপ এই প্রথম দেশের কোনো মামলায় সাজা পেলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের আদালতে কোনো ব্রিটিশ এমপিকে দণ্ড দেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। রায়ের পর টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, ‘প্লট দুর্নীতির অভিযোগে আমার অনুপস্থিতিতে যে প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে বিচার সম্পন্ন হয়েছে, তা ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক।’ ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও বলেন, ‘এ রায়কে গুরুত্ব দেওয়ার কিছু দেখছি না। এই পুরো প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ এবং প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়। এই ক্যাঙারু কোর্টের ফলাফল যেমন অনুমানযোগ্য ছিল, তেমনি এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’
টিউলিপ সিদ্দিকের সাজার রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তাঁর দল লেবার পার্টিও। দলটি বলেছে, তারা এ রায়কে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। লেবার পার্টির এক মুখপাত্র বলেন, ‘লেবার পার্টি ও আমাদের সব নির্বাচিত প্রতিনিধি আইনের শাসনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। টিউলিপ সিদ্দিক এ মামলায় ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ পাননি। অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য কখনও তাঁকে জানানো হয়নি। তাঁর আইনি দলের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও এটি করা হয়েছে।’
এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঢাকার তরফ থেকে টিউলিপ সিদ্দিকের বিষয়ে লন্ডনে যোগাযোগ করা হবে কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগবে।
এর আগে পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির অপর তিন মামলায় গত ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার একটি আদালত। তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে দেওয়া হয় পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড। তারও আগে গত ১৭ নভেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
রায়ের পর্যবেক্ষণ
মামলার রায় পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে বোন শেখ রেহানাকে প্লট দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আর মা-খালাকে প্ররোচনা দিয়েছেন টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক। আবাসন সুবিধা থাকার পরও জালিয়াতির মাধ্যমে প্লট নিয়েছেন শেখ রেহানা। দুর্নীতি বর্তমানে রোগে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতি গোটা সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। আমাদের সমাজের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে; রুখে দাঁড়াতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় পৃথিবীর যে কোনো দেশে থাকলেও বিচারের এখতিয়ার আদালতের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিচারক।
আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করার কারণ ব্যাখ্যা করে রায় পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্ররোচিত করে শেখ রেহেনা পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পে প্লট নিয়েছেন। টিউলিপ সিদ্দিক তাঁর মা রেহানা সিদ্দিককে প্লট পাইয়ে দিতে খালা শেখ হাসিনা ও তাঁর একান্ত সচিব সালাউদ্দিনের সঙ্গে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন। দুজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং তাদের জবানবন্দিতে তা প্রমাণিত হয়েছে। শেখ হাসিনা দুর্নীতির মাধ্যমে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করে ফৌজদারি অসদাচরণ করেছেন। এই তিনজন বাদে অন্য আসামিরা পাবলিক সার্ভেন্ট। তারা বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে প্লট বরাদ্দ পেতে সহায়তা করেছেন।
আইনজীবী রাখার সুযোগ না পাওয়া প্রসঙ্গে এর কারণ ব্যাখ্যা করে বিচারক বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় পৃথিবীর যেখানে অবস্থান করুক না কেন, সেই আসামির বিচার করতে আইনে কোনো বাধা নেই। শুধু মৃত্যুদণ্ডের ধারার মামলার ক্ষেত্রে পলাতক আসামির রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। এই মামলায় আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের কোনো ধারার অভিযোগ না থাকায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ নেই।
রায় পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আদালতের শুনানির অধিকার দাবি করার আগে সংশ্লিষ্ট আসামিকে আগে বিচার প্রক্রিয়ায় নিজেকে আত্মসমর্পণ করে পরে বিচার দাবি করতে হয়। অন্যথায় আসামি বিচারিক সুবিধা পেতে পারেন না।
যাদের সাজা হয়েছে
এই মামলায় পাঁচ বছর করে সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন– জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
প্রতিক্রিয়া
এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুদক আইনজীবী খান মো. মাইনুল হাসান লিপন বলেন, আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছিলাম; সেটি হয়নি। কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। টিউলিপসহ অন্য আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে মাইনুল হাসান বলেন, আসামিরা বিদেশে পালিয়ে আছেন। তাদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হবে।
আসামি খুরশীদ আলমের আইনজীবী শাহীনুর রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার তিনটি মামলায় রায় হয়েছে। সেখানে খুরশীদ আলমের এক বছর করে সাজা হয়েছে। এই মামলাটি প্রায় একই ধরনের। আশা করেছিলাম, আগের মতো লঘু দণ্ড হবে। কিন্তু হয়েছে পাঁচ বছর। রায়ে অসন্তুষ্ট। সাজার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে জানান তিনি।
আদালতের পরিবেশ
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের ছয়তলায় গতকাল বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে বিচারক এজলাসে আসেন। এর পর রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক মো. রবিউল আলম। ১১টা ৪৫ মিনিটে রায় পড়া শেষ হয়। এ সময় দুদক, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবী, গণমাধ্যমকর্মী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ
গতকাল রায়ের মামলার অভিযোগ, ঢাকা শহরে বাড়ি বা ফ্ল্যাট বা আবাসন সুবিধা থাকার পরও হলফনামায় তথ্য গোপন করে আইন ও নীতিমালা ভেঙে দুর্নীতির মাধ্যমে শেখ রেহানা পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বোনকে প্লট বরাদ্দে সহায়তা করেছেন। ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক তাঁর মা রেহানাকে প্লট পাইয়ে দিতে খালা শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করেন।
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির আরও দুই মামলা আদালতে বিচারাধীন। ওই দুই মামলায় শেখ হাসিনা ও টিউলিপের সঙ্গে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও আসামি।
মামলার প্রেক্ষাপট
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পূর্বাচলের ২৭ নম্বর সেক্টরের কূটনৈতিক জোনের ২০৩ নম্বর সড়কের আশপাশের এলাকায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীর নামে ১০ কাঠার ছয়টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।
শেখ রেহানার প্লট নম্বর ১৩, ববির প্লট নম্বর ১১ ও রূপন্তীর প্লট নম্বর ১৯। আর শেখ হাসিনার প্লট নম্বর ৯, জয়ের ১৫ নম্বর এবং পুতুলের প্লট নম্বর ১৭।
গত বছর ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ওই দিনই তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরাও দেশের বাইরে চলে যান।
বিভিন্ন জনের কাছ থেকে আসা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান শেষে ছয়টি প্লটের জন্য ছয়টি মামলা করে দুদক। গত ১৩ জানুয়ারি দায়ের করা ওই মামলায় শেখ হাসিনা, টিউলিপসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ আরও দুজনকে অন্তর্ভুক্ত করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ১৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
পরে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ করা হলেও আসামিরা কেউ আদালতে হাজির হননি। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে গত ৩১ জুলাই ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক রবিউল আলম। শেখ হাসিনা, রেহানা, টিউলিপসহ বাকিদের পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। ফলে তাদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। একই আদালত ববি ও রূপন্তীর মামলাতেও অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। গত ১৩ আগস্ট তিন মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। গত ১৮ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে শেষ হয় রেহানার প্লট দুর্নীতির মামলার ৩২ জনের সাক্ষ্য। ২৩ নভেম্বর কারাগারে থাকা মামলার একমাত্র আসামি খুরশীদ আলম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এর পর ২৫ নভেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে রায়ের দিন ধার্য করেন বিচারক।
বিদেশি গণমাধ্যমে টিউলিপের রায়ের খবর
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় টিউলিপ সিদ্দিকের সাজা পাওয়ার খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পেয়েছে। বিবিসি, আলজাজিরার মতো গণমাধ্যমে ফলাও করে খবরটি প্রচার হয়। দ্য গার্ডিয়ান টিউলিপকে নিয়ে দুটি প্রতিবেদন করেছে। প্রথম প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটেনের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের অনুপস্থিতিতে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের আদালত। ভিন্ন আরেক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ব্রিটেনের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশে বিচারের পেছনে কারণ কী ছিল?
বিবিসির শিরোনাম– অনুপস্থিতিতে টিউলিপের বিচার, কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দ্য সান লিখেছে, খালার মৃত্যুদণ্ডের কয়েক সপ্তাহ পর লেবার পার্টির এমপি ও সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিককে দুর্নীতির অভিযোগে অনুপস্থিতিতে কারাদণ্ড। ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি স্টার লিখেছে, বড় দুর্নীতি কেলেঙ্কারির পর লেবার এমপির দুই বছরের কারাদণ্ড। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের শিরোনাম– বাংলাদেশে ব্রিটেনের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের দুই বছরের জেল। স্কাই নিউজ লিখেছে, লেবার এমপি টিউলিপকে দুর্নীতির মামলায় বাংলাদেশে দুই বছরের কারদণ্ড। দ্য টেলিগ্রাফ লিখেছে, বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগে টিউলিপ সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড। দ্য ইনডিপেনডেন্টের শিরোনাম– লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিককে বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগে দুই বছরের কারাদণ্ড।
- বিষয় :
- টিউলিপ সিদ্দিক
