মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
বৈষম্যমুক্ত ও মানবিক দেশ গড়ার প্রত্যয়
ফুলে ফুলে ঢেকে যায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদি
মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল বৃহস্পতিবার ফুল হাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ। ফুলের সঙ্গে বিশাল জাতীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন গাজীপুরের ইকবাল সিদ্দিকী কলেজের শিক্ষার্থীরা মামুনুর রশিদ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ০৯:২১ | আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ১০:৩৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক, উন্নত-সমৃদ্ধ এবং বৈষম্যমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। ঢাকাসহ সারাদেশে সব কর্মসূচিতে স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য জীবন উৎসর্গকারী জাতির সূর্যসন্তান বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে গোটা জাতি।
দিনটি ছিল সরকারি ছুটি। প্রত্যুষে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর এলাকাসহ সারাদেশে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি-বেসরকারি ভবন শীর্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপকে জাতীয় ও রঙিন পতাকায় সজ্জিত করা হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে এবার কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হয়নি।
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের মূল আয়োজন ছিল সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে। সেখানে লাখো মানুষের জনস্রোত মিলনমেলায় পরিণত হয়। লাল-সবুজ পোশাকে জাতীয় পতাকা হাতে সমবেত হন সব বয়সের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা। শ্রদ্ধার ফুলে ঢেকে যায় শহীদ বেদি। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
এদিন সূর্যোদয়ের ক্ষণ সকাল ৬টার দিকে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, তিন বাহিনী প্রধানগণ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতাসহ উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে দলীয় প্রধান হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। মন্ত্রিপরিষদের পক্ষেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তারা।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানান বিদেশি কূটনীতিক ও তিন বাহিনী প্রধানরাও। নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল অন্য আইন কর্মকর্তাদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এদিকে, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রথমবারের মতো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ভোরে জামায়াতে ইসলামী ও জোট নেতাদের নিয়ে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
এ সময় জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দিলে সেখানে জনতার ঢল নামে। বিভিন্ন দল ও সংগঠনের পাশাপাশি দলে দলে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ।
এনসিপির পক্ষে শ্রদ্ধা জানান দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। জাতীয় স্মৃতিসৌধে আরও শ্রদ্ধা জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, বাম গণতান্ত্রিক জোট, সিপিবি, বাসদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, বাংলাদেশ জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, গণফোরাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আনসার ও ভিডিপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মহিলা পরিষদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, খেলাঘর, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন।
বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ
দীর্ঘ দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠিত হলো সশস্ত্র বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট। গতকাল ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরোনো বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রাসহ ১০টার দিকে প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি। তাঁকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ও রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি।
কুচকাওয়াজের পর ১০ হাজার ফুট ওপর থেকে মূল মঞ্চের দুদিকে জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন বাহিনীর পতাকাবাহী ২৬ প্যারাট্রুপার প্যারেড গ্রাউন্ডে নামেন। রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদর্শন করেন তারা। পরে বিমানবাহিনীর ‘অ্যারোবেটিক শো’ প্রদর্শিত হয়। যুদ্ধবিমানসহ প্রশিক্ষণ বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো বিভিন্ন ফরম্যাশনে উড্ডয়ন কৌশল প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনীতে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসে মনোজ্ঞ এই আয়োজন উপভোগ করেন তাঁর মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা।
আরও আয়োজন
দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এদিন সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ প্রকাশ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে।
বিকেলে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ও খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এর আগে গত বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ সারাদেশের সব মসজিদে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরসহ দেশের সব মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। দেশের সব হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোতে পরিবেশন করা হয় বিশেষ খাবার। দেশের সব শিশু পার্ক ও জাদুঘর উন্মুক্ত রাখা হয়। সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজগুলো।
দিনটি ঘিরে শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শন করে।
দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীর সমাবেশ, কুচকাওয়াজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি২০ ক্রিকেট, কাবাডি, হাডুডুসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ঢাকাসহ জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সিনেমা হলে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিভিন্ন দেশের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছে ব্রিটেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ। গতকাল আলাদা আলাদা বার্তায় এই অভিনন্দন জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আলাদা বার্তায় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন জানান।
এদিকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তাঁর বাংলাদেশি সমকক্ষ খালিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের অভিনন্দন জানান। এ ছাড়া পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি খোজিনও আলাদা বার্তায় বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।
- বিষয় :
- স্বাধীনতা দিবস
