ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
×

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:২৫ | আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৪১

| প্রিন্ট সংস্করণ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় এক নারীকে (৩২) মাইক্রোবাসে তুলে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনজনের নামে পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। এর মধ্যে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রাশেদুজ্জামান রাশেদ। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে পাংশা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে মামলার এজাহারভুক্ত দ্বিতীয় আসামি। পাংশা শহরে কসমেটিকসের ব্যবসা রয়েছে তার। অন্য আসামিরা হলো– পাংশা উপজেলার কুলটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রাজার ছেলে হাসিবুর রহমান অন্তর (৩২) ও পারনারায়ণপুর গ্রামের তায়জাল মুন্সীর ছেলে বরকত মুন্সী (৩৪)। গ্রেপ্তার রাশেদ কলিমহর ইউনিয়নের ধানুরিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁর বাড়ি কুষ্টিয়ায়। সোমবার ব্যক্তিগত কাজে পাংশায় যান তিনি। কাজ শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ায় ফেরার উদ্দেশ্যে পাংশার মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় সাদা রঙের মাইক্রোবাস সামনে এসে থামে। তিনজন তাঁকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এরপর পাংশা উপজেলার কুলটিয়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাইক্রোবাসে করে ঘোরাঘুরি করতে থাকে। এ সময় তিনজন পালাক্রমে মাইক্রোবাস চালাতে থাকে এবং পেছনের সিটে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাঁকে কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকার একটি ফাঁকা জায়গায় নামিয়ে চলে যায় মাইক্রোবাসটি। পরে ওই নারী মঙ্গলবার রাতে পাংশা মডেল থানায় তিনজনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। ঘারুয়া ইউনিয়নের একটি মাঠে মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় নাহিদ ইসলাম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার নাহিদ কালামৃধ ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামের শাহীন ফরাজির ছেলে।

ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল ৮টার দিকে ৯৯৯-এ কল পেয়ে ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারি। পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তাঁকে নাহিদ, সাদ্দাম, নাজমুল ও নুর আলম ফসলের মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগীর এক জোড়া সোনার দুল ও নগদ সাড়ে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা। ভুক্তভোগীর মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রেস্তোরাঁর কর্মচারী গ্রেপ্তার
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে রেস্তোরাঁর এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার গ্রেপ্তার ওই কর্মচারীর নাম রাকিব মোল্লা। এ ঘটনায় করা মামলার আরেক আসামি রেস্তোরাঁর মালিক মজনু মোল্লা পলাতক। গ্রেপ্তার রাকিব উপজেলার পোনা গ্রামের হিরু মোল্লার ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রাকিব ও ভুক্তভোগী নারী একই রেস্তোরাঁর কর্মচারী। ১৪ মার্চ কৌশলে তাঁকে হোটেলের একটি কক্ষে ডেকে নেয় রাকিব। সেখানে হোটেলের মালিক মজনুর সহযোগিতায় ওই নারীকে ধর্ষণ করে। ২৫ মার্চ ওই নারী মজনু ও রাকিবের নামে আদালতে মামলা করেন।

স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
ময়মনসিংহের ফুলপুরে স্কুলছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার প্রধান অভিযুক্ত রুবেল মিয়াকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। সে উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের বড়শুনই গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৯ মার্চ রাতে ধর্ষণের শিকার হয় স্কুলছাত্রী। লোকলজ্জার ভয়ে সে রুবেলের বাড়ি থেকেই কীটনাশক পান করে আসে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ৩০ মার্চ ভোরে মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা ফুলপুর থানায় মামলা করেন। 

র‍্যাব-১৪-এর আরেক অভিযানে ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণ মামলার আসামি কলিম উদ্দিন ওরফে কলম উদ্দিনকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
(সংশ্লিষ্ট নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য)

আরও পড়ুন

×