ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন, সংসদে মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন, সংসদে মির্জা ফখরুল
×

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:৩৮

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে দ্রুত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

আজ সোমবার সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তরে জামায়াতের এমপি (চট্টগ্রাম-১৬) জহিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার আরেক প্রশ্নের জবাবে সংসদ কাজে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। সকল স্তরের নির্বাচন শেষ করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময়ের প্রয়োজন হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা প্রস্তুত, ভোটের সামগ্রী সংগ্রহ, ধর্মীয় উৎসব, পাবলিক পরীক্ষা, আবহাওয়া, কেন্দ্র চূড়ান্তকরণ ও সংস্কার, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্বাচন ও প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে তপশিল ঘোষণা করতে হয়। তপশিল ঘোষণার প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে ন্যূনতম ৪৫ দিন প্রয়োজন হয়।

ফরিদপুর-১ আসনের জামায়াতের আরেক এমপি মো. ইলিয়াস মোল্লার প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেছিল। বর্তমান ঢাকা বিভাগের ৫টি জেলা- ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে নিয়ে ফরিদপুর বিভাগ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বিএনপির (পাবনা-৫) সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে সংসদ কাজে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য তিন হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদে একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। ইভিএমগুলো অর্পিত ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কেনা হয়। প্রকল্পটি সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্প সমাপ্তি প্রতিবেদন গত বছর ১৩ মে বাস্তবায়ন  মূল্যায়ন বিভাগে পাঠানো হলেও এখনো মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। অডিট অধিদপ্তর থেকে এই প্রকল্পের অডিট আপত্তি তোলা হয়েছে, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। প্রকল্পটির বিষয়ে ‍দুর্নীতি দমন কমিশনের অধীন তদন্ত চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না বলে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে ইভিএমগুলো বিভিন্ন গোডাউন, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বেইজমেন্টে সংরক্ষিত রয়েছে।

আরও পড়ুন

×