দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার সফরের অংশ হিসেবে ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেইয়ের (ইউনিসফা) ফোর্স কমান্ডারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: আইএসপিআর
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৪:০৬ | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৪:০৭
দক্ষিণ সুদান ও আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার তিনি দেশে ফেরেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সফরকালে সেনাপ্রধান দক্ষিণ সুদানে মোতায়েন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট পরিদর্শন করেন। আবেইতে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ব্যাটালিয়নও পরিদর্শন করেন।
মিশন এলাকায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন সেনাপ্রধান। তিনি মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি স্টাফ অফিসার, অবজারভার ও কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কার্যক্রম ও মিশনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
সফরের অংশ হিসেবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ইউনাইটেড নেশনস মিশন ইন সাউথ সুদান (ইউএনএমআইএসএস)-এর ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জুনহুই উ এবং ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই (ইউএনআইএসএফএ)-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল গণেশ কুমার শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
এ ছাড়া আবেইতে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান। এসব বৈঠকে মিশনের কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন আভিযানিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে দক্ষিণ সুদানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চোল থন বালোক এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল সান্তিনো ডেং উলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এ সময় দক্ষিণ সুদান প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাপ্রধানের এ সফরের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল আরও বাড়বে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের পরিধি সম্প্রসারণেও এ সফর সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।