ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গঙ্গা চুক্তি

জেআরসির আওতায় আলোচনার প্রস্তাব ভারতের

জেআরসির আওতায় আলোচনার প্রস্তাব ভারতের
×

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | ০৭:৫৭

| প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্বিপক্ষীয় যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) কাঠামোর আওতায় আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে ভারত। এ বিষয়ে নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। খবর ইউএনবির।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সই হয়েছিল। বাংলাদেশ-ভারতের সব পানি ও নদী-সংক্রান্ত বিষয় দ্বিপক্ষীয় যৌথ নদী কমিশনের আলোচ্য সূচির অংশ হিসেবে আলোচনা করা হয়। গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির যৌথ কমিটির বৈঠকগুলোও কারিগরি পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জনগণের পানির অধিকার সংরক্ষণ করেই নতুন চুক্তি করার বিষয়ে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।

বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি মো. আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বলেন, অভিন্ন নদীগুলো থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন চুক্তি প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমরা এখন তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছি। 

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সই হওয়া গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর। আগামী ডিসেম্বর মাসে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
মরিশাসে নবম ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছিলেন, জনগণের মৌলিক প্রয়োজন নিশ্চিত করে এমন একটি নতুন বা সংশোধিত চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ।

সম্মেলনের ফাঁকে এনডিটিভিকে তিনি বলেছিলেন, ‘এগুলো অভিন্ন নদী। এখানে আমাদের অভিন্ন ঐতিহ্য, অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। তাই এমন একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই, যা জনগণের আস্থা অর্জন করবে। আগামী ২৫ থেকে ৫০ বছরের সম্পর্কের ভিত্তি তৈরির জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বাংলাদেশ সেন্টার ফর ইন্দো-প্যাসিফিক অ্যাফেয়ার্সের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক 
শাহাব এনাম খান বলেন, প্রায় তিন দশক আগে চুক্তিটি হওয়ায় বর্তমান বাস্তবতায় তা সংশোধন 
করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

×