আজ সরকারের বর্ষপূর্তি
সাফল্যের আরেক বছর, আলোচনায় ব্যর্থতাও
ছবি: ফাইল
শাহেদ চৌধুরী
প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১৫:৪৯ | আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১৬:০২
টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনার প্রথম বছর পূর্ণ করছে আজ আওয়ামী লীগ। এই এক বছরে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পথে হাঁটাসহ নানা ক্ষেত্রেই সাফল্য পেয়েছে তারা। বিশেষত, গত এক বছরে মাদক ও দুর্নীতিবিরোধী শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের বর্ষপূর্তিতে আজ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাজনৈতিক বিশ্নেষকদের একাংশ বলছেন, ২০১৮ সালের শেষে আকাশছোঁয়া জয় পাওয়ার পর বর্তমান সরকার প্রথম বছরেই উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি পূরণে বেশ কিছু সাফল্য দেখিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতিই সরকারের বড় সাফল্য। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ও শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে সরকার চেষ্টা করছে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে। পাশাপাশি প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর দিন ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন পর্যন্ত মুজিববর্ষ পালনের।
তবে এই এক বছরে কিছু কিছু ব্যর্থতার কারণে সমালোচিতও হতে হচ্ছে সরকারকে। গণতন্ত্র ও সুশাসনের সংকট ছাড়াও গত বছর দেশের জনগণকে পীড়িত করেছে দ্রব্যমূল্যের ধকল আর ডেঙ্গু রোগের ভয়ানক বিস্তার। রাজনীতির মাঠ ছিল নিস্তরঙ্গ ও সরকারের জন্য দুর্ভাবনাহীন। কিন্তু নতুন সরকারের প্রথম বছরকালের এই রাজনৈতিক গতিহীনতাই উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং পর্যবেক্ষকদের অন্য অংশের কাছে। তারা মনে করছেন, রাজনীতির মাঠে কর্তৃত্ববাদিতার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার সর্বাত্মক চেষ্টাও লক্ষ্য করা গেছে সারাবছর। তবে পদ্ধতিগতভাবে এবং সামগ্রিকভাবে সরকার গণতন্ত্র ও সুশাসনকে কত দূর এগিয়ে নিতে পেরেছে, তা নিয়ে সংশয় কাটেনি, প্রশ্নও দূর হয়নি।
বিশেষ করে বিভিন্ন মহলে একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তা এই সরকারের পিছু ছাড়ছে না। বরং এরই মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে চলে আসায় তা নতুন করে সামনে এসেছে। গত বছর শেষ পর্যন্ত বিএনপি জাতীয় সংসদে যোগ দিয়েছে বটে, কিন্তু দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ জনমনে এত বিস্তৃত যে, গণতন্ত্র ও সুশাসনের সংকট সম্পর্কে তাদের কোনো আহ্বানই জনমনে সাড়া জাগাতে পারেনি। বাম দলগুলোও বিশ্বাসযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। এর পুরো সুবিধাই পেয়েছে সরকারি দল।
সরকারের প্রথম বছরে ক্যাসিনোকাে জড়িত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত থাকায় ছাড় দেওয়া হয়নি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, সহসভাপতি এনামুল হক আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, ঢাকার তিনজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, তারেকুজ্জামান রাজিব ও ময়নুল হক মনজুসহ কাউকেই। চাঁদা দাবির অভিযোগে পদ হারিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং টিআর-কাবিখাসহ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি লুটপাটের অভিযোগে চট্টগ্রাম-১২ আসনের এমপি সামশুল হক চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের এমপি আফজাল হোসেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু এবং ভোলা-৩ আসনের এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দুর্বলতাকে স্পষ্ট করেই দেখিয়ে দিয়েছে পেঁয়াজ। এই পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত রয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এ সংকটের জন্য মাঝারি পর্যায়ের কয়েকজন ব্যবসায়ী শাস্তি পেলেও বাজার কারসাজিতে যুক্ত ব্যক্তিরা পার পেয়ে গেছে। এ বছরেও কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়াটাও ছিল হতাশাজনক। সরকারের গত এক বছরে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর কারণে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুরবস্থা ফুটে উঠেছে, নাকাল হতে হয়েছে সরকার ও প্রশাসনকে। মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ঢাকার দুই মেয়র সাঈদ খোকন ও আতিকুল ইসলাম। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিশেষত বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ, মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি ও বরগুনার রিফাত শরিফ হত্যার ঘটনার পাশাপাশি ধর্ষণ ঘটনার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও মানবাধিকার পরিস্থিতি সারাবছর মনে করিয়ে দিয়েছে সুশাসনের সংকট রয়েছে এবং রাজনৈতিক দলেও গণতন্ত্রের চর্চার অভাব রয়েছে। সবশেষে রোববার রাতে যুক্ত হয়েছে কুর্মিটোলায় ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা।
প্রায় তিন দশক পর গত বছর অনুষ্ঠিত হয়েছে ডাকসু নির্বাচন। কিন্তু এই নির্বাচনেও প্রতিফলিত হয়েছে গণতন্ত্র চর্চার সংকট। নানা অভিযোগ ও অধিকাংশ প্যানেলের প্রার্থীদের বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ নির্বাচন। ডাকসুর ২৫টি পদের মধ্যে জিএস, এজিএসসহ ২৩টি পদে জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ছাত্রলীগ। বিশেষ করে ডাকসুর সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরের বারবার নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা ছাত্ররাজনীতির গন্তব্যকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিক্ষোভ, আন্দোলন ও অস্থিরতায় বিদায়ী বছরজুড়ে উত্তাল ছিল বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে এই সরকারের সময় ঈর্ষণীয় সাফল্য এসেছে কৃষিক্ষেত্রে। খোরপোষের কৃষি বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, মাছ উৎপাদনে চতুর্থ ও খাদ্যশস্য উৎপাদনে দশম অবস্থানে রয়েছে। ফল উৎপাদনও বেড়েছে। জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান এখন ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে কৃষক পর্যায়ে ডিএপি সারের খুচরা মূল্য ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করায় প্রশংসিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।
এ বছর দক্ষিণ জনপদের মানুষের বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ১০৫০ মিটার অংশের নির্মাণকাজ আরও দৃশ্যমান হয়েছে। তবে 'পদ্মা সেতুর জন্য মানুষের মাথা লাগবে'- এমন গুজবে সাময়িক অস্থিরতা পাড়ি দিতে হয়েছে মানুষকে। গুজবের কারণে ৩৫ টাকার লবণ ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। লবণ নিয়ে কারসাজি ঠেকাতে মাঠে নামে পুলিশ ও র্যাব। সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশাপ্রদ উন্নতিও দেখা যায়নি। অন্যদিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চকবাজারের চুড়িহাট্টা মোড়ে ৭৮ জনের এবং বনানীর এফআর টাওয়ারে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনা প্রশাসনের নজরদারির দুর্বলতা দেখিয়ে দিয়েছে।
গুলশানে হলি আর্টিসানে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলা মামলার রায়ে ২২ জনকে হত্যার দায়ে নব্য জেএমবির সাত সদস্যের মৃত্যুদ হওয়ায় স্বস্তিভাব এসেছে সর্বস্তরে। এবারও শিক্ষাবর্ষ শুরুর দিনেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দিয়ে সরকার সাধুবাদ কুড়িয়েছে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুরাও ব্রেইল পদ্ধতির বই পেয়েছে। সাক্ষরতার হার ৭৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে। তবে প্রশাসনে দলীয়করণের চর্চা এখনও কমেনি।
অর্থনীতির ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থেকেছে বছরজুড়ে। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে দেশ। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি মজবুত ভিতের ওপর দাঁড়িয়েছে। তবে চামড়া সংকট ভুগিয়েছে অর্থনীতিকে। এই বছরও বিদ্যুৎ সুবিধাসহ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর উপকারভোগীর সংখ্যা আরও বেড়েছে। ব্যবসায় এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। রপ্তানি বাণিজ্য প্রসারিত হয়েছে। মাথাপিছু আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। মূল্যস্ম্ফীতি কমেছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশের একটি এখন বাংলাদেশ।
রাজধানীতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহাসড়কগুলোকে চার লেনে উন্নীতকরণসহ মেগা প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে। দুই ডজনের বেশি হাইটেক পার্ক এবং আইটি ভিলেজ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। প্রতিটি গ্রামে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতসব অর্জন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেনি, তা অনেকটাই নিষ্প্রভ হয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কিছু বখে যাওয়া নেতাকর্মীর নানা অপকর্মের কারণে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সমকালকে বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সরকারের ধারাবাহিকতা থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটানা ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন। তাই শুধু সরকারের এক বছরের মূল্যায়ন করলে চলবে না। গত এক বছরে মন্ত্রিসভা ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেও অনেক নতুন মুখ এসেছে। তৈরি হয়েছে নতুন নেতৃত্ব। এই নতুন নেতৃত্বকে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।
ড. হারুন অর রশিদ বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদের মালিক বনে যাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী গত সংসদ নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ অতি উৎসাহীরা নিজেদের স্বার্থে যা কিছু করেছেন, তা ছিল অগ্রহণযোগ্য। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক থাকতে হবে। উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ ভবিষ্যতে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করেন।
সরকারের এক বছরের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে গিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গত ১০ বছর যেভাবে দেশ পরিচালনা করা হয়েছে, গত এক বছরে তার চেয়ে কোনো গুণগত পরিবর্তন দেখা যায়নি। এ বছর জাতি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবে। বঙ্গবন্ধু চিরকাল গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে ধারণ করে লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। তিনিই সংবিধানে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্য এবং আইনের শাসনকে সমুন্নত করেছেন। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, এখন কি আর ওসব আছে?
ড. বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে। অগ্রাহ্য নির্বাচন হয়েছে। এসবের বিহিত করার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। অথচ একমাত্র নির্বাচনই ক্ষমতা বদলের পথ। এই পথ রুদ্ধ হলে সেটা কারও জন্যই সুখকর হবে না। সুজন সম্পাদক বলেন, গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি মৌলিক অধিকার হরণের ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে। ব্যতিক্রম ছিল ক্যাসিনোকাণ্ড। তবে সেখানেও রুই-কাতলা অধরা রয়ে গেছে।
- বিষয় :
- সরকারের বর্ষপূর্তি
