ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এনএসইউতে চলচ্চিত্র-সাংস্কৃতিক প্রযোজনা নিয়ে ‘মাস্টারক্লাস’

এনএসইউতে চলচ্চিত্র-সাংস্কৃতিক প্রযোজনা নিয়ে ‘মাস্টারক্লাস’
×

ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৩০

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম (এমসিজে) বিভাগের উদ্যোগে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক প্রযোজনা নিয়ে দুই দিনব্যাপী মাস্টারক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডি ৮০১ রুমে ‘মাস্টারক্লাস অন ফিল্ম অ্যান্ড কালচারাল প্রোডাকশন’ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আয়োজনের প্রথম দিন একুশে পদকপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলের চলচ্চিত্র ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন করা হয়। চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পর দেশভাগের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কীভাবে উঠে এসেছে, তা নিয়ে মাস্টারক্লাস পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল। পরে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গল্প বলার কৌশল, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং জাতীয় চলচ্চিত্রের বিবর্তন নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেন।

এ সময় তানভীর মোকাম্মেল বলেন, তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কখনোই নিজেদের সৃজনশীল চিন্তাকে আটকে রাখা উচিত নয়। দর্শকের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ তৈরি করতে হলে নিজের গল্প বলার ধরন ও সৃজনশীলতার ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।
 
দ্বিতীয় দিনে নির্মাতা আকাশ হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখারপুল’ চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনীর পর চলচ্চিত্রটির অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বিকেলে এমসিজে বিভাগের শিক্ষার্থীদের নির্মিত কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সব সময়ই একটি আপন ঠিকানা হয়ে থাকবে। তাঁদের আগ্রহ ও সৃজনশীলতা বিকাশে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে তাঁদের সৃজনশীল চর্চাকে এগিয়ে নিতে আমরা সব সময় পাশে থাকব।’

আয়োজকদের প্রশংসা করে ড. মো. রিজওয়ানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আশা করি, এমসিজের শিক্ষার্থীরা তাঁদের সৃজনশীল যাত্রাকে স্থানীয় ও বৈশ্বিক পরিসরে নিয়ে যাবে এবং তাঁদের শিল্পীসত্তা ও সৃজনশীল ভাবনাকে বিশ্বের আরও বৃহত্তর দর্শকের কাছে পৌঁছে দেবে।’

ড. মো. হারিছুর রহমান বলেন, ‘আমরা এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই। এর মাধ্যমে এমন একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা শিল্প ও গণমাধ্যমের পেশাজীবীদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।’

চলচ্চিত্র, দেশভাগের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক স্মৃতি ও সৃজনশীল প্রকাশ নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দুই দিনের এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

আরও পড়ুন

×