ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রতে জনগণের কোনো সাড়া নেই: সাদেক খান

বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রতে জনগণের কোনো সাড়া নেই: সাদেক খান
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১:৩৮ | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১:৩৮

ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সাদেক খান বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে তবে তাতে জনগণের কোনো সাড়া নেই। বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তা শুধু শেখ হাসিনার জন্যই সম্ভব হয়েছে।

শনিবার বিকালে মোহাম্মাদপুর টাউন হল এলাকায় শান্তি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে আওমী লিগের মতো উন্নয়ন কেউ করতে পারেন নাই। সবার মুখে শুধু বড় বড় কথার বুলি। আপনারা দেখেন আমাদের মোহাম্মদপুরের যে দিকে তাকাবেন শুধু উন্নয়ন আর উন্নয়ন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি ও জামায়াত দেশ নিয়ে যে ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত তাতে জনগণের কোনো সাড়া নেই। জনগণ এখন আর বোকা নয়। তারা বোঝে আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের জন্য আর কারো মায়া নেই। এ ছাড়া বিএনপি-জামায়াতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আপনারা ভুলে যাবেন না আমরা আওয়ামী লীগের জন্য সব সময় প্রস্তুত রয়েছি। রাজপথে আপনাদের কোনো ঠাই নেই।

সাদেক খান বলেন, ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল, মোহাম্মদপুর এখন আলোয় আলোকিত। এটা এখন ডিজিটাল নগরী। এই নগরী এখন উন্নয়নের ঝলকে আলোকোজ্জ্বল। মোহাম্মদপুর, আদাবরের যে দিকেই তাকাবেন উন্নয়ন, শুধু উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলেই এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা-১৩ আসনের বর্তমান সংসদের পরিচিতি-১৯৭৭ সালে সাদেক খান অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সর্বকনিষ্ঠ কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি তৎকালীন ৪৭নং ওয়ার্ড ও বর্তমান ৩৪নং ওয়ার্ড থেকে চারবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এ ছাড়া তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ কাউন্সিলরের পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি তখন দু’বার ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ৪৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে ছিলেন। এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাদেক খান ১৯৭৩ সালে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। সাদেক খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয়ে সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি অবিভক্ত ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের প্রথম সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি।

আলোচিত ১/১১’র সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কারাবন্দি হলে তার মুক্তির দাবিতে জনতার মঞ্চের সংগঠক হিসেবে ৪ লাখ পঁয়ষট্টি হাজার গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন সাদেক খান। তিনি আওয়ামী লীগের দুর্দিনে নিরসার্থ ভাবে সকল আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

এই আসনে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন হয়েছে ১৯টি স্কুলে, চলমান রয়েছে ২২টি-তে। মোহাম্মদপুর ও আদাবরের ৩০০টি রাস্তা উন্নয়ন হয়েছে, চলমান রয়েছে ২০টি-তে । ২২টি মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়ন করা হয়েছে। ৮টি মন্দির উন্নয়ন করা হয়েছে। ৬টি খাল অবমুক্তও করে সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে। ৪০০টি রাস্তা, ড্রেন সংস্কার ও মেরামত করা হয়েছে (মেইন রোড সহ)। ১২টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ৭টি খেলার মাঠ সংস্কার ও উন্নয়ন করা হয়েছে। ৪টি ফুট ওভার ব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে, চলমান রয়েছে ২টি। ৮টি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। পরিত্যক্ত ঘষিত রায়ের বাজার মার্কেটটিতে (মার্কেট কাম এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স) আধুনিক মার্কেটের কাজের আবেদন প্রক্রিয়াধীন। হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থে পুরোনো শশান পুন:নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে। মোট কথা এ আসনে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে সাদেক খান এর আমলে।

আরও পড়ুন

×