ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দিয়াবাড়ি গোলচত্বর

শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে আবার কলেজে ফিরে গেলেন দুই উপদেষ্টা, প্রেস সচিব

শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে আবার কলেজে ফিরে গেলেন দুই উপদেষ্টা, প্রেস সচিব
×

ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৫ | ১৭:১৬ | আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৫ | ২০:০৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বের হওয়ার পর দিয়াবাড়ি গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। সেখান থেকে তাঁদের গাড়ি ঘুরিয়ে আবার কলেজ ক্যাম্পাসে নেওয়া হয়েছে। দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব কলেজের ভেতরে একটি ভবনে গিয়েছেন।

কলেজের বাইরে ও আশপাশের এলাকায় শত শত শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করছেন। তাঁরা আইন উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন।

এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় গোলচত্বর এলাকায় খবর রটে, ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে থাকা দুই উপদেষ্টা গাড়িতে করে বের হয়ে আসছেন। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে আগে থেকে বিক্ষোভরত মাইলস্টোন স্কুলের শতশত শিক্ষার্থী স্কুল সংলগ্ন সড়কটি আটকে দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। সেখানে উপস্থিত পুলিশ ও র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শিক্ষার্থীদের বাধা দিলে তারা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সাড়ে তিনটার কিছু আগে কলেজ থেকে বের হন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। উপদেষ্টাদের গাড়ি দিয়াবাড়ি মোড়ে গেলে বিকেল পৌনে চারটার দিকে বাধা দেন শিক্ষার্থীরা।

পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা দুইবার ধাওয়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়। এরপরও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। তাদের সঙ্গে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং কিছুসংখ্যক এলাকাবাসী ও যোগ দিয়েছেন।

এর আগে বেলা পৌনে ১টার দিকে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দিচ্ছি, আমরা প্রতিটা দাবি পূরণ করব। বিশ্বাস রাখেন।

তবে উপদেষ্টার বক্তব্যের পরও বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপদেষ্টারা আবার কলেজের ভেতরে ঢুকে যান। এ সময় ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

×