ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গারা প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গারা প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
×

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন- ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০১৯ | ১২:১৩ | আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:২৪

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মানবিক কারণে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন তারা কক্সাজারের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। দ্রুত সময়ে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মিয়ানমারকেই উদ্যোগ নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে দক্ষিণ এশিয়া সমবায় পরিবেশ কর্মসূচির (এসএসিইপি) পরিচালনা পর্ষদের ১৫তম সভার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে বিশ্ব নেতৃত্ব তথা দক্ষিণ এশিয়ার অংশীদারদের আরও কিছু করা দরকার। এটি বিশ্ব নেতৃত্বের দায়িত্ব। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার অংশীদারদের রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখা উচিত।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারের ৬ হাজার ৮০০ একর বনভূমিতে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এলাকাটি অত্যন্ত অরক্ষিত। রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি আমাদের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, সুন্দরবনকে আমরা যথাযথভাবে রক্ষা করছি, কেননা এটি আমাদের দেশের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবুও বিভিন্ন সময় নানা কারণে আমাদের দেশের বন ধ্বংস ও নদীদূষণ হচ্ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ জনসংখ্যা।

ভারতের পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী প্রকাশ কেশব জাভাদেকার বলেন, পরিবেশের কোনো সীমান্ত নেই। ভারত সমুদ্র ও মাটি দুই স্থানেই পরিবেশ দূষণ রোধে কাজ করে যাচ্ছে। এ দূষণ রোধে দক্ষিণ এশিয়ার সবাই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আহমেদ মুজথাবা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এডিবির জলবায়ু এবং অর্থনীতিবিষয়ক প্রতিবেদনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আমাদের বার্ষিক জিডিপি দু'শতাংশ কমে যাবে। সেদিক থেকে আমাদের আরও বেশি করে সচেতনতা তৈরি এবং জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, দক্ষিণ এশিয়া সমবায় পরিবেশ কর্মসূচির মহাপরিচালক আবাস বাসির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

×