সোয়াইন ফ্লু নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই: আইইডিসিআর
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৫ জানুয়ারি ২০২০ | ১৩:২২
দেশে সোয়াইন ফ্লু কিংবা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই জানিয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ অন্যান্য ভাইরাসের নজরদারিতে বছরজুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এপ্রিল থেকে শুরু হয় এবং সেপ্টেম্বরে মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। বছরের অন্যান্য সময়ে এ সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। সরকারের কাছে এ রোগের প্রতিষেধক আছে। এর পরও রোগটি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেউ আক্রান্ত হলে জরুরিভিত্তিতে আইইডিসিআর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
রোববার রাজধানীতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সোয়াইন ফ্লুর কোনো অস্তিত্ব নেই উল্লেখ করে পরিচালক আরও বলেন, ২০০৯ সালে বিশ্বজুড়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারি হয়েছিল। তখন এটিকে সোয়াইন ফ্লু নামে আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু ২০১০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ভাইরাসকে মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা নামে অভিহিত করার নির্দেশ জারি করে। এর পর থেকে এটি মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা নামে পরিচিত। সুতরাং এ অর্থে বলা যায়, সোয়াইন ফ্লু নামে কোনো ভাইরাসের অস্তিত্ব নেই।
তিনি বলেন, মৌসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা সাধারণত চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপের ব্যক্তি, ফুসফুসের রোগী, কিডনি রোগী. অন্তঃসত্ত্বা নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দুই বছরের নিচের শিশুদের ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এসব জনগোষ্ঠীর জন্য এটি কখনও কখনও মারাত্মক জটিলতা হিসেবে দেখা দিতে পারে। বর্তমানে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ওইসব দেশ থেকে বেড়াতে আসা ব্যক্তি এবং প্রবাসীদের সতর্ক থাকতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সোয়াইন ফ্লু নিয়ে জনমনের বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক দূর করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি আগে থেকে অ্যাজমায় আক্রান্ত ছিলেন। এরপর আইইডিসিআর থেকে পরীক্ষা করে তার এইচ১এন১ পজিটিভ হওয়ায় তা আরও জটিল হয়।
- বিষয় :
- আইইডিসিআর
