ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

নির্বাচন বানচাল করতে হামলা: ইশরাক

নির্বাচন বানচাল করতে হামলা: ইশরাক
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ০৭:১৬ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ০৭:১৭

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনের গণসংযোগে হামলার পর রোববার দুপুরে নিজ বাসায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইশরাক। এতে তিনি নেতাকর্মীদের বিন্দুমাত্র বিচলিত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ইশরাক বলেন, এ ধরনের হামলার ঘটনা ন্যক্কারজনক। ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এটি দেখে নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য এ হামলা করেছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আপনারা শান্ত থাকবেন, বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। শুধু নির্বাচনকে বানচাল করার, ভয়-ভীতি দেখানোর, ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখানোর একটা অপচেষ্টা। এতে জনগণ বিভ্রান্ত হবে না। ভোটারদের আহ্বান জানাবো, ১ ফেব্রুয়ারি আপনারা নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাবেন, এসব ঘটনায় আপনারা বিন্দুমাত্র বিচলিত হবেন না।

হামলার ঘটনা সম্পর্কে ইশরাক বলেন, এতো কর্মী আহত হয়েছেন, সাংবাদিকরা আহত হয়েছেন- অবশ্যই এ ঘটনায় মামলা করা হবে। 

গোপীবাগের নিজের বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সদস্য সচিব আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শিরিন সুলতানা, এহছানুল হক মিলন, নাজমুন নাহার বেবী, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, রাজীব আহসানসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার দুপুর ১টার দিকে  ইশরাক হোসেনের গণসংযোগে হামলা, সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ইশরাক হোসেন ও তিনজন সাংবাদিকসহ ১৩ বিএনপি নেতাকর্মী আহত হন। 

মতিঝিল এলাকায় গণসংযোগ শেষে ইশরাক মিছিল নিয়ে গোপীবাগে নিজের বাসার দিকে যাওয়ার সময় সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজের মোড়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ঢিল ছোড়াছুড়ি চলে। সংঘর্ষকালে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয় এবং কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দও শোনা যায়। ঘটনার প্রায় আধাঘণ্টা পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।





আরও পড়ুন

×