কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ: ডিএমপি
রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬ | ১৬:২১ | আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ | ১৬:২৩
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ কোনো আশঙ্কা নেই। সতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. এস এন নজরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সারা বছরই বিভিন্ন কর্মসূচি থাকে। আমাদের সামনে বড় কর্মসূচি হচ্ছে ১০ মহররম বা আশুরা। পাশাপাশি ২৩ জুন (আওয়ামী লীগ) একটি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেকপোস্ট, টহল, বিশেষ অভিযানসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’
রাজধানীর ওয়ারীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্র-মাদকের গডফাদার হিসেবে পরিচিত ইসমাইল হোসেন সজল ওরফে অটো সজলসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘২ মার্চ অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওয়ারী থানায় মামলা হয়। তদন্তে প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার ও তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে আদালতে দেওয়া তাদের ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র সজল সরবরাহ করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাকে ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।’
তিনি বলেন, ‘এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেপ্তার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।’ তার বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত কমিশনার জানান, সজলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে আরও তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রির ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মোহাম্মদপুরের চাঁদাবাজ ফারুক জামিনে বের হয়ে আবার চাঁদাবাজিতে জড়ানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির এই অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘পুলিশের কাজ হলো অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা, তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং আদালতে উপস্থাপন করা। পরবর্তী বিষয়গুলো আইনজীবী, প্রসিকিউশন ও বিচার বিভাগের আওতাধীন। কাকে জামিন দেওয়া হবে, কাকে দেওয়া হবে না, কাকে শাস্তি দেওয়া হবে—এসব আদালতের বিষয়।’
- বিষয় :
- আওয়ামী লীগ
- সতর্ক
- পুলিশ
- ডিএমপি
