ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট কৃষির বিকল্প নেই: কৃষিমন্ত্রী

স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য  স্মার্ট কৃষির বিকল্প নেই: কৃষিমন্ত্রী
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৩ | ১৮:০০ | আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৩ | ০৫:৩৫

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী স্মার্ট কৃষিকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট এগ্রিকালচারের কোনো বিকল্প নেই।

গতকাল রাজধানীর গুলশানের রেনেসাঁ হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থাকে স্মার্ট কৃষিতে রূপান্তর: ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সাতটিই কৃষির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও লাভজনক কৃষি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। কৃষি খাতের উন্নয়নে তিনি সরকারের পক্ষ থেকে নীতি সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক প্রণোদনা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আমাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য বহুমুখী হিমাগার নির্মাণে মনোযোগী হতে হবে। একই সঙ্গে সড়ক, জল ও রেলপথে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির  বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন বলেন, ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে স্মার্ট এগ্রিকালচারের দিকে অগ্রসর হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থা থেকে স্মার্ট এগ্রিকালচার ব্যবস্থায় উন্নয়ন সময়ের দাবি, যা আমাদের জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি এ লক্ষ্যে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার বলেন, আমাদের কৃষি ও এগ্রো-প্রসেসিং খাতের আকার প্রায় ১০০ কোটি ডলার। প্রায় ১৫৪টি দেশে ৭০০ কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে।

তিনি জানান, আমাদের কৃষিপণ্যের ভ্যালু এডিশন, পণ্য বহুমুখীকরণ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার, দক্ষতার স্বল্পতা, খাদ্যের মান নিশ্চিতকরণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ডমিনিকো স্কেলপেলি বলেন, বাংলাদেশ ক্রমে বাণিজ্যিক কৃষিব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে সে ক্ষেত্রে কৃষি খাতে মূল্য সংযোজনের ওপর জোর দেওয়া জরুরি। স্মার্ট এগ্রিকালচারের মূল লক্ষ্য হলো, পণ্যের মান উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এগ্রিকালচারাল ইকোনমিকসের ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ড. এমএ সাত্তার মণ্ডল। তিনি বলেন, কৃষি খাতে ঋণপ্রাপ্তি সহজীকরণ, সহায়ক কর ও শুল্ক কাঠামো, দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার এবং অটোমেশন খুবই জরুরি।

আরও পড়ুন

×