ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

এনবিআরকে চিঠি

কাঁচামালে শুল্কছাড় চান কীটনাশক উৎপাদকরা 

কাঁচামালে শুল্কছাড় চান কীটনাশক উৎপাদকরা 
×

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবন

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৫ | ১২:১৭ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৫ | ১২:২৮

আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানিমুখী স্থানীয় শিল্পের বিকাশে কীটনাশক উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক রেয়াত চায় বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএএমএ)। সম্প্রতি এ অনুরোধ জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে কীটনাশক উৎপাদনকারীদের এ সংগঠন।

এনবিআরকে দেওয়া চিঠিতে বিএএমএ বলেছে, বালাইনাশক বা কীটনাশক আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের মাত্র ৫ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু স্থানীয় উৎপাদনকারীরা পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানি করতে গেলে সর্বনিম্ন ৩১ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা একেবারেই অযৌক্তিক। তাই বালাইনাশকের কাঁচামালগুলোকে ‘কাস্টমস প্রসিডিউর’ কোডের অন্তর্ভুক্ত করা হলে আমদানি শুল্ক কমবে। এতে উৎপাদন খরচ কম হবে এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষকের কাছে বালাইনাশক সরবরাহ সম্ভব হবে। পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা কমবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। অন্যদিকে কম খরচে উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে এসব কীটনাশক রপ্তানি করা সম্ভব; যা রপ্তানিমুখী শিল্পের অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।

এ বিষয়ে বিএএমএর সভাপতি কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কীটনাশক আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক অথচ কীটনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা একেবারেই অযৌক্তিক। এতে দেশে কীটনাশক উৎপাদনের চেয়ে আমদানিতেই লাভ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় উৎপাদনকারীরা। তিনি বলেন, দেশের শিল্পের বিকাশে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমাতে হবে। অন্যথায় দেশ সারাজীবন আমদানিনির্ভর থেকে যাবে।

আরও পড়ুন

×