কর্মশালায় ইউনিলিভারের কর্মকর্তারা
ভোক্তার অভিজ্ঞতাই পণ্যের মানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরিমাপক
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ নভেম্বর ২০২৫ | ০৭:২৬
| প্রিন্ট সংস্করণ
ইউনিলিভারের পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা শুধু নির্দিষ্ট কোনো বিভাগের কাজ নয় বরং এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের (ইউবিএল) কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। ‘ওয়ার্ল্ড কোয়ালিটি ডে’ উপলক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করে ইউবিএল। প্রতি বছর ১৩ নভেম্বর এই দিবস আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়।
কর্মশালায় ইউনিলিভারের মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া, উদ্ভাবন এবং ভোক্তা নিরাপত্তায় প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ, পাকিস্তান, তুরস্ক ও তিউনিসিয়া অঞ্চলের কোয়ালিটি প্রধান তাসমিম সায়লা। কর্মশালায় জানানো হয়, ইউনিলিভার মনে করে ভোক্তার অভিজ্ঞতাই পণ্যের মানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরিমাপক।
ইউবিএলের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, পার্টনারশিপস অ্যান্ড কমিউনিকেশন পরিচালক শামিমা আখতার বলেন, ইউনিলিভার বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কালুরঘাটে একটি সেমি-অটোমেটেড সাবান কারখানার মাধ্যমে। বর্তমানে কোম্পানিটি সাতটি কারখানা পরিচালনা করছে। এসব কারখানা থেকে ২০ ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে। শুরুর দিকে শিল্প অবকাঠামো সীমিত থাকলেও কোম্পানি নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতার বৈশ্বিক মান বজায় রাখে।
শামিমা আখতার জানান, ইউনিলিভারের পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন, সংরক্ষণ বা বিতরণ—প্রতিটি পর্যায়ে কঠোর মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। রিসাইকেল বিষয়ে তিনি বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে দেশে সামগ্রিক ও সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা এখন পর্যন্ত নেই। সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করা হলে রিসাইকেল বাড়বে। তাতে পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পাবে। তবে ইউনিলিভার যতটুকু প্লাস্টিক ব্যবহার করে তার সমপরিমাণ ব্যবহৃত প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে রিসাইকেল করে।
- বিষয় :
- ইউনিলিভার
