সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তারা
সংকটে দেশের স্পিনিং শিল্প
বিদেশি সুতার ডাম্পিং বন্ধসহ স্থানীয় শিল্প সুরক্ষার ১০ দাবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৭:৩৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
বিদেশি সুতার ডাম্পিং ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় সংকটে দেশের স্পিনিং শিল্প খাত। কয়েকটি দেশে এ খাতে সরকারি প্রণোদনার কারণে তাদের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে সুতা রপ্তানি করছেন। এর পাশাপাশি কভিড-পরবর্তী মন্দা, ইউক্রেন যুদ্ধ, ডলার সংকট, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছরে দেশের ৪০ শতাংশ স্পিনিং মিলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। যেসব কারখানা চলছে, সেগুলোও ৫০-৬০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদনে রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্পিনিং শিল্পের শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শিল্প রক্ষায় অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ, সেফ গার্ড ডিউটি আরোপসহ ১০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে রপ্তানিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিলে ৩০ শতাংশ ছাড় দিয়ে আপৎকালীন প্রণোদনা দেওয়া, স্পিনিং মিলের মেশিনারিজ যুগোপযোগী করতে ৫ শতাংশ সুদে ১০ বছর মেয়াদি বিশেষ প্যাকেজের ঋণ সহায়তা ইত্যাদি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সালমা গ্রুপের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আজহার আলী, যমুনা গ্রুপের পরিচালক এ বি এম সিরাজুল ইসলাম, গ্রিনটেক্স স্পিনিংয়ের নির্বাহী পরিচালক রুহুল আমিন প্রমুখ।
এদিকে পোশাক শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসায় ডিজিটাল হাসপাতাল করা হবে। পাইলট এ প্রকল্পে সহায়তা দেবে স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম অলওয়েল বিডি ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি নুভিস্তা ফার্মা। তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএর সঙ্গে গত বুধবার এ বিষয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
- বিষয় :
- মিল চালু
