চিঠিপত্র
ছবি: ফাইল
--
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২০ | ১৫:১০ | আপডেট: ০২ মার্চ ২০২০ | ১৫:৩৫
প্রধানমন্ত্রী সমীপে
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পুলিশ সপ্তাহে অবসরপ্রাপ্ত সব পুলিশ সদস্যকে আজীবন পুলিশ রেশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ গত ২৯ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রবিধি-৪) আশরাফ উদ্দিন আহম্মদ খান পত্রের মাধ্যমে জানান, যেসব পুলিশ সদস্য ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরবর্তী সময়ে অবসরে যাবেন, শুধু তারাই আজীবন পুলিশ রেশন পাবেন। অর্থাৎ যারা আগেই অবসরে গেছেন তারা পুলিশ রেশন পাবেন না। কিন্তু সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর সদস্যরা যারা পাকিস্তান আমলে প্রথম দিকে ভর্তি হয়ে অবসরে গেছেন, তাদের মধ্যে এখনও যারা জীবিত আছেন, তারা প্রত্যেকেই রেশন পাচ্ছেন। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা আনুমানিক ৫০-৬০ হাজার। আর সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের সংখ্যা এর দ্বিগুণ হলেও তাদের পাকিস্তান আমল থেকে এখন পর্যন্ত রেশন দেওয়া হচ্ছে। সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের যদি রেশন বা রেশনের টাকা পান তবে কেন পুলিশ বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের রেশন দেওয়া যাবে না?
আনোয়ার হোসেন, উত্তরা, ঢাকা
কর্মস্থলে অনুপস্থিতি
আমরা বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় খবর দেখতে পাই, সরকারি কর্মকর্তারা কর্মস্থলে যথাসময়ে উপস্থিত হন না। এমনকি কার্যদিবসের অর্ধেক সময় অনুপস্থিত থাকেন। পত্রিকায় দেখা গেল, কোনো এক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বছরের বেশিরভাগ সময় অনুপস্থিত থেকেও উপাচার্য পদে বহাল। অনেক সরকারি চিকিৎসকেরও একই অবস্থা। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রায় একই চিত্র, যা ভয়াবহ। কিছু ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা থাকলেও তা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। সরকারি চাকরিজীবীরা কি তাহলে নীতি-নৈতিকতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন? এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
হাবিব, মগবাজার, ঢাকা
শিশুদের মোবাইল আসক্তি
আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। অথচ এই শিশুরাই ঝুঁকে পড়ছে মোবাইল আসক্তিতে। বাবা-মাও নিশ্চিন্তে তার আদরের শিশুটির হাতে মোবাইল ফোন তুলে দিচ্ছেন। অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞানের দাবি, শিশুদের হাতে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা মোবাইল ফোন দেওয়া উচিত নয়। মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রশ্মি শিশুদের চোখের ক্ষতি করে আর মস্তিস্কের ওপরেও প্রভাব পড়ে। দীর্ঘক্ষণ মোবাইল আসক্তির কারণে শিশুদের কল্পনাশক্তি লোপ পায়। এমনকি শিশুর সামাজিকীকরণেও সমস্যা দেখা দেয়। তাই শিশুদের মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখুন।
ফাতিমাতুজ্জোহরা
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
ট্রাক্টর চালান সময় মেনে
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার নজরপুর এলাকায় ইটভাটার কাজে নিয়োজিত মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরগুলোর মাধ্যমে ইটভাটার মাটি সরবরাহে নির্দিষ্ট সময় থাকলেও ভাটার মালিক যখন-তখন মাটি সরবরাহ করায় রাস্তায় প্রচুর ধুলাবালির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
আবু ওমর পারভেজ, সেনবাগ, নোয়াখালী
- বিষয় :
- চিঠিপত্র
