করোনার 'ষড়যন্ত্র তত্ত্ব'
×
জারিন ইসলাম
প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২০ | ১২:৫২
বিশ্বায়নের ফলে মানুষ যেমন মানুষের কাছাকাছি এসেছে, তেমনি পরিবেশ বিপর্যয়সহ রোগ-জীবাণু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সহজে সংক্রমিত হচ্ছে। লক্ষ্য করার বিষয় হলো, করোনার উৎপত্তি সংক্রান্ত যেসব তথ্য গণমাধ্যমে উঠে আসছে, তার প্রত্যেকটি পরিবেশের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, একটি কাঁচাবাজারে বন্যপ্রাণী বিক্রয়ের পর থেকে বা একটি সিফুডের বাজার থেকে এ ভাইরাস ছড়িয়েছে। যেখান থেকেই ছড়াক না কেন, তা পরিবেশ ধ্বংসের অনিবার্য ফল। বন্যপ্রাণী ধ্বংস করা আর সামুদ্রিক পরিবেশ নষ্ট করা উভয়ই স্বাভাবিক ইকোসিস্টেমের জন্য হুমকিস্বরূপ।
অন্য এক মাধ্যমে এসেছে, হুবেই প্রদেশের উহানকে চীনের দ্বিতীয় জীবাণু অস্ত্রের গবেষণাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে; যেখান থেকে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এক গণমাধ্যমে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ড্যানি শোহমের সূত্র উল্লেখ করে জানানো হয়, উহানের এই ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি চীনের প্যাথজেন লেভেল-৪ মানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবাণুপ্রযুক্তি গবেষণাগার। যেখানে জীবাণু সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের অসতর্কতাকে জৈবসন্ত্রাস নামে আখ্যায়িত করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যার মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য সাময়িকী জন হপকিন্স। ওই সাময়িকীতে গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সংখ্যায় বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, চীনে এমন একটি ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে, যা অর্থনীতিতে বড় ধরনের সেইক অনুভূত করাবে। পরিবেশের ক্ষতিসাধন থেকে শুরু করে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটাবে। বর্তমান পরিস্থিতি তাদের ভবিষ্যদ্বাণীকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। এখন সন্দেহ দানা বেঁধেছে যে, তারা এত নিশ্চিতভাবে আশঙ্কা কেন করেছিল? কোনোভাবে এটা পূর্বপরিকল্পিত নয়তো? এ সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। চীনের এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, যেখানে সব কল-কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, খনিজ সম্পদসহ অর্থনৈতিক বিপুল অংশের সমাহার, সেই স্থান আক্রান্ত হওয়া মানে তো পুরো চীনই আক্রান্ত হওয়া। তবে বাংলাদেশ এ ধরনের জৈবসন্ত্রাসের বিরোধিতা করে ২০১৬ সালে 'বায়োসেফটি, বায়োসিকিউরিটি, বায়োটেররিজম, বায়োডিফেন্স' শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।
কার্বন নিঃসরণ করে পৃথিবীকে উত্তপ্ত করার প্রধান ভূমিকা চীনের। সঙ্গে যুক্ত হলো জীবাণু সংক্রমণ। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলে বন্যপ্রাণী পুড়ে যাওয়ার ঘটনা সর্বতোভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশকে করে তুলেছে মানবতাবিরোধী। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, ২০০৩ সালের সার্স ভাইরাসের চেয়েও ক্ষতিকর করোনাভাইরাস। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এমনকি বিদেশেও ছড়িয়ে গেছে; কিন্তু এখনও আবিস্কৃত হচ্ছে না এর প্রতিষেধক। তবে বাংলাদেশের একজন হেকিম সম্প্রতি করোনার প্রতিষেধক হিসেবে নিম তেলের ব্যবহারের কথা বলেছেন। তবে এটা কতটুকু কার্যকর, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ইতোমধ্যেই করোনা নিয়ে গবেষণা শুরু হয়ে গেছে। আবার বলা হচ্ছে, এটা যদি মহামারি আকার ধারণ করে, তাহলে এর সিকোয়েন্স নতুন গবেষণার বিষয় হয়ে উঠবে। অভিযোগ উঠেছে, মৃত বা আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করছে না চীন। এ ছাড়া রোগাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা নির্ধারণেও বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। আসলে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, এ ধরনের জীবাণু সংক্রমণ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করছে। গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে দেশের মানুষকে। সমগ্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন চীনের নতুন বছরে ছুটি দফায় দফায় বৃদ্ধি করে জনগণকে গৃহবন্দি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা রাস্তাঘাট পাহারা দেওয়া হচ্ছে, যাতে মানুষ ঘরের বাইরে না যায়। এ ছাড়া আর যেন প্রতিষেধক নেই।
কলেজশিক্ষক
অন্য এক মাধ্যমে এসেছে, হুবেই প্রদেশের উহানকে চীনের দ্বিতীয় জীবাণু অস্ত্রের গবেষণাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে; যেখান থেকে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এক গণমাধ্যমে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ড্যানি শোহমের সূত্র উল্লেখ করে জানানো হয়, উহানের এই ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি চীনের প্যাথজেন লেভেল-৪ মানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবাণুপ্রযুক্তি গবেষণাগার। যেখানে জীবাণু সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের অসতর্কতাকে জৈবসন্ত্রাস নামে আখ্যায়িত করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যার মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য সাময়িকী জন হপকিন্স। ওই সাময়িকীতে গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সংখ্যায় বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, চীনে এমন একটি ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে, যা অর্থনীতিতে বড় ধরনের সেইক অনুভূত করাবে। পরিবেশের ক্ষতিসাধন থেকে শুরু করে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটাবে। বর্তমান পরিস্থিতি তাদের ভবিষ্যদ্বাণীকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। এখন সন্দেহ দানা বেঁধেছে যে, তারা এত নিশ্চিতভাবে আশঙ্কা কেন করেছিল? কোনোভাবে এটা পূর্বপরিকল্পিত নয়তো? এ সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। চীনের এত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, যেখানে সব কল-কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, খনিজ সম্পদসহ অর্থনৈতিক বিপুল অংশের সমাহার, সেই স্থান আক্রান্ত হওয়া মানে তো পুরো চীনই আক্রান্ত হওয়া। তবে বাংলাদেশ এ ধরনের জৈবসন্ত্রাসের বিরোধিতা করে ২০১৬ সালে 'বায়োসেফটি, বায়োসিকিউরিটি, বায়োটেররিজম, বায়োডিফেন্স' শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।
কার্বন নিঃসরণ করে পৃথিবীকে উত্তপ্ত করার প্রধান ভূমিকা চীনের। সঙ্গে যুক্ত হলো জীবাণু সংক্রমণ। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলে বন্যপ্রাণী পুড়ে যাওয়ার ঘটনা সর্বতোভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশকে করে তুলেছে মানবতাবিরোধী। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, ২০০৩ সালের সার্স ভাইরাসের চেয়েও ক্ষতিকর করোনাভাইরাস। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এমনকি বিদেশেও ছড়িয়ে গেছে; কিন্তু এখনও আবিস্কৃত হচ্ছে না এর প্রতিষেধক। তবে বাংলাদেশের একজন হেকিম সম্প্রতি করোনার প্রতিষেধক হিসেবে নিম তেলের ব্যবহারের কথা বলেছেন। তবে এটা কতটুকু কার্যকর, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ইতোমধ্যেই করোনা নিয়ে গবেষণা শুরু হয়ে গেছে। আবার বলা হচ্ছে, এটা যদি মহামারি আকার ধারণ করে, তাহলে এর সিকোয়েন্স নতুন গবেষণার বিষয় হয়ে উঠবে। অভিযোগ উঠেছে, মৃত বা আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করছে না চীন। এ ছাড়া রোগাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা নির্ধারণেও বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। আসলে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, এ ধরনের জীবাণু সংক্রমণ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করছে। গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে দেশের মানুষকে। সমগ্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন চীনের নতুন বছরে ছুটি দফায় দফায় বৃদ্ধি করে জনগণকে গৃহবন্দি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা রাস্তাঘাট পাহারা দেওয়া হচ্ছে, যাতে মানুষ ঘরের বাইরে না যায়। এ ছাড়া আর যেন প্রতিষেধক নেই।
কলেজশিক্ষক
- বিষয় :
- করোনা
