ঢাকা রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সঞ্জীব চৌধুরীকে ছাড়া ১৮ বছর

সঞ্জীব চৌধুরীকে ছাড়া ১৮ বছর
×

সঞ্জীব চৌধুরী

আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ নভেম্বর ২০২৫ | ১৮:১৫

নন্দিত কণ্ঠশিল্পী, গীতিকবি ও সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরীর প্রয়াণ দিবস আজ। আজ থেকে ঠিক ১৮ বছর আগে এই দিনে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর স্মরণে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বেশকিছু আয়োজন করা হয়। 

তরুণ প্রজন্মের শিল্পী ও ব্যান্ড তারকারা কনসার্টের মধ্য দিয়ে তাঁর জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করে থাকেন। কিন্তু বর্তমান দেশের পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় এবার সঞ্জীব চৌধুরী স্মরণে তেমন কোনো আয়োজনের আভাস পাওয়া যায়নি। তবে এই শিল্পী ও কলমযোদ্ধাকে তাঁর ভক্ত-অনুরাগীরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবেন, সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরবেন নানা স্মৃতি, অভিজ্ঞতা কিংবা দূরে থেকে তাঁকে আবিষ্কারের কথা– এই অনুমান গানের ভুবনের অনেকের।

নব্বই দশকে গানের ভুবনে যারা নতুন সব শব্দ-সংযোজনা তুলে ধরছিলেন, সঞ্জীব চৌধুরী ও তাঁর ব্যান্ড দলছুট এর অন্যতম। একক ‘স্বপ্নবাজি’ ও দলছুট ব্যান্ডের ‘আহ’, ‘হৃদয়পুর’, ‘আকাশচুরি’, ‘জোছনাবিহার’সহ বেশকিছু মিশ্র অ্যালবামে গান গেয়ে শ্রোতাহৃদয় জয় করেছিলেন সঞ্জীব চৌধুরী। তাঁর গাওয়া ‘আমি তোমাকেই বলে দেব’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’, ‘সাদা ময়লা রঙ্গিলা পালে’, ‘এই নষ্ট শহরে’, ‘রিকশা কেন ধীরে চলে না’, ‘ভাল্লাগেনা’, ‘গিটার’, ‘আহ ইয়াসমিন’, ‘কালা পাখি’, ‘দুঃখ ব্যথায় মুখটা যে নীল’, ‘বায়োস্কোপ’সহ অনেক গান শ্রোতামনে আজও অনুরণন তুলে যাচ্ছে। সঞ্জীব চৌধুরী ক্ষণজন্মা শিল্পীদের একজন।

জনপ্রিয়তার শীর্ষ কাতারে থাকাবস্থায় পৃথিবী থেকে আকাল বিদায় নিতে হয়েছে এই শিল্পীকে। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। গানের ভুবনে যুগ পেরোনোর আগেই তাঁর এই বিদায় অনেকের জন্য মেনে নেওয়া ছিল কঠিন। যে কারণে আজ এই শিল্পীর জন্ম ও মৃত্যু দিনে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি সংগীতের নানা আয়োজন করা হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন

×