চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে সাফা কবির
সাফা কবির। ছবি: সংগৃহীত
আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১:২১ | আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:৩৩
ক্যারিয়ারের ১১ বছর পার করে এখন গল্প ও চরিত্র বাছাইয়ে আরও সচেতন সাফা কবির। তাই নাটকে উপস্থিতি কিছুটা কমেছে। কাজ করছেন অনেকটা ম্যারাথন গতিতে। যা-ও করছেন, সেগুলোও গল্পনির্ভর ও নিজেকে ভিন্নভাবে তুলে আনার চেষ্টা করছেন।
গ্ল্যামারার্স ও রোমান্টিক চরিত্রে সাবলীল এই অভিনেত্রী নিরীক্ষাধর্মী নাটক ‘মৎস্যকন্যা’ নামে একটি নাটকের নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন। নাটকটি পরিচালনা করেছেন সেরনিয়াবাত শাওন। ইতোমধ্যে শুটিং শেষ হয়েছে, শিগগিরই প্রচারে আসবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘মৎস্যকন্যা’ কেবল কল্পকাহিনি নয়; এতে বাস্তবতার আবহের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভিজ্যুয়াল ইলিউশনের অভিনব ব্যবহার।
গল্পে দেখা যাবে এক রহস্যময় তরুণীকে, যে নিজেকে মানুষ ও জলজগতের মাঝামাঝি এক সত্তা বলে অনুভব করে। তার আত্মপরিচয়ের সংকট, সমাজের চোখে ভিন্ন হয়ে ওঠার যন্ত্রণা এবং নিজের ভেতরের টানাপোড়েন– এসব নিয়েই এগিয়েছে নাটকের কাহিনি।
চরিত্রটির জন্য বিশেষভাবে তৈরি মারমেইড কস্টিউম পরে দীর্ঘ সময় পানির নিচে ও পানির ধারে শুটিং করতে হয়েছে সাফাকে। তিনি জানান, এক দিন টানা ছয় ঘণ্টা ওই পোশাক পরে থাকতে হয়েছে। এমনকি কস্টিউমের কারণে শরীরের কিছু অংশে চামড়া ছিলেও গেছে। তবু চ্যালেঞ্জ নিতে পিছপা হননি তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দিতে চাই বলেই এমন ঝুঁকি নেওয়া। ঝাঁপ দিয়ে সাগরে ডুব দেওয়ার দৃশ্যের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম। ইউনিটকে বলেছিলাম, পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে না উঠলে যেন তুলে আনে।’
‘এমন একটি গল্পে কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিং। তবে আমি করেছি। কারণ, এমন চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ বারবার আসে না। তাই আমিও সুযোগটি হাতছাড়া করতে চাইনি’– বলছিলেন সাফা। নির্মাতার মতে, এখানে দর্শক সাফাকে এক নতুন রূপে দেখবেন, যেখানে গ্ল্যামারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে আবেগ, শারীরিক ভাষা ও নীরব অভিব্যক্তি। সব মিলিয়ে ‘মৎস্যকন্যা’ ছোটপর্দায় ভিন্ন মাত্রা যোগ
করবে বলেই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এদিকে বড়পর্দায় অভিষেক প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন সাফা। সমসাময়িক অনেক অভিনেত্রী সিনেমায় কাজ শুরু করলেও তিনি এখনও অপেক্ষায়।
