ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু
×

ছবি: ফাইল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | ২০:৪৪

হামের উপসর্গে আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪ জন মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৮৬৮ জন। আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৯ জনের। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬৭ জন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও এক হাজার ১৫১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্তের সংখ্যা ৩৬৫। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ হাজার ২১৮ রোগীর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন বলছে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি। আর হামের উপসর্গে যে চারজন মারা গেছে, তাদের দু’জন বরিশাল বিভাগের। আর বাকি দু’জনের একজন ঢাকার ও একজন সিলেট বিভাগের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত এই পরিসংখ্যানে বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে যত মৃত্যু হচ্ছে, তার সবই হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করা হয়।

বিশ্বজুড়ে হাম ও রুবেলা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তর জেনেভায় নিয়মিত যে প্রাথমিক উপাত্ত জমা হয়, সেখানে জুলাই মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে এবার আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি। এক বছরের কম বয়সী যে পাঁচ হাজারের মতো শিশু গত এক বছরে হামে আক্রান্ত হয়েছে, তার চার হাজারের বেশি হামের টিকার দুই ডোজের একটিও পায়নি। এক থেকে চার বছর বয়সী চার হাজার রোগীর মধ্যে দেড় হাজার শিশু টিকার কোনো ডোজ পায়নি, এক ডোজ পেয়েছে ৫০০ জনের মতো। ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী এক হাজার শিশুর অর্ধেকই টিকার কোনো ডোজ পায়নি।

আরও পড়ুন

×