ঢাকা শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

করোনার কাল

‘টানেলের’ ওপাশে ‘আলো’ দেখছেন ট্রাম্প

‘টানেলের’ ওপাশে ‘আলো’ দেখছেন ট্রাম্প
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২০ | ০০:৫২ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

যুক্তরাষ্ট্রের করোনাক্রান্ত অঞ্চলগুলোতে শিগগিরই নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ধীরে ধীরে হলেও টানেলের শেষপ্রান্তে আমরা আলো দেখতে পাচ্ছি। 

গত ৪ এপ্রিল করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে আরো বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করার পর রোববার তিনি নিউইয়র্কে এই আশাবাদ জানান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছে, তাকে এমন খবর জানানো হলে তিনি এটাকে ভাল লক্ষণ হিসেবে মন্তব্য করেন এবং টানেলের ওপাশে আলোর রেখা বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি করোনায় আরো লোকের প্রাণহানি  হতে পারে বলেও সতর্কতা উচ্চারণ করেন। খবর বিবিসির

রোববার করোনাসংক্রান্ত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, সামনের দিনগুলোতে আমাদের বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এই সঙ্কট মোকাবিলার জন্য আরো বেশি তৈরি হতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের যেসব অঙ্গরাজ্যগুলো করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে, তাদের জন্য মাস্ক ও ভেন্টিলেটরসহ ও আরো বেশি চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর কথা বলেন ট্রাম্প। 

প্রেসিডেন্টের করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের একজন সদস্য ডেবোরাহ বার্ক্স বলেন, ইতালি ও স্পেনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। আমরা সেখান থেকে উৎসাহিত বোধ করছি। আশা করছি, আমরা শিগগিরই একটা ভাল অবস্থার মধ্যে যাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আরো বেশি ভাল খবর আশা করছেন বলে জানান।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে ট্রাম্পের মতো আশাবাদী হতে পারছেন না নেতৃস্থানীয় বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকরা। এদের মধ্যে রয়েছেন সর্বোচ্চ উপদেষ্টা ড. আন্থনি ফসি। তার মতে, পরিস্থিতি মোটেই সুবিধার নয়। ওদিকে দেশটির সার্জন জেনারেল জেরোমি অ্যাডামস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আগামী সপ্তাহটিই হবে আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন ও ভয়াবহ সময়কাল। 

ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই সময়টাকে তিনি পার্ল হারবার কিংবা নাইন/ইলেভেনের মতো ভীতিকর হবে বলে মন্তব্য করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ এর আক্রমণে এই পর্যন্ত ৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৭৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৯ হাজার ৬১৯ জন।

আরও পড়ুন

×