ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

ভ্যাকসিন থাকুক না থাকুক যুক্তরাষ্ট্র সচল হবে: ট্রাম্প

ভ্যাকসিন থাকুক না থাকুক যুক্তরাষ্ট্র সচল হবে: ট্রাম্প
×

ডোনাল্ড ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২০ | ২৩:২৯ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত দেশ। থামছে না মৃত্যুর মিছিল। তাতেও তোয়াক্কা নেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি চাচ্ছেন, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে, সবকিছু খুলে দিতে। শুক্রবার ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আসুক আর না আসুক, সবকিছু চালু করে দেওয়া হবে। তবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হবে বলে আশাবাদী ট্রাম্প। খবর সিএনএন ও বিবিসির।

হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি একটা বিষয় সবাইকে স্পষ্ট করতে চাই। আর এটা খুব গুরুত্বপূর্ণও। ভ্যাকসিন আসুক কিংবা না আসুক আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবো এবং আমরা সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছি।’

করোনা নিয়ে ওই নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আরও অনেক ক্ষেত্রে কিন্তু ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি এবং ভাইরাস কিংবা ফ্লু আসবেই, আপনাকে এর বিরুদ্ধে লড়াই করেই চলতে হবে।’ 

এ সময় ট্রাম্প করোনার ভ্যাকসিন তৈরির গতি বাড়ানোর জন্য নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা দেন। পাবলিক ও প্রাইভেট যৌথভাবে নতুন টিমে রয়েছেন একজন আর্মি জেনারেল ও একজন সাবেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। ট্রাম্প জানান, করোনা ভ্যাকসিন তৈরির নতুন টিমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন জেনারেল গুস্তাব পারনা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে বিতরণের দায়িত্বে রয়েছেন। আর ভ্যাকসিন তৈরি বিভাগের প্রধান থাকবেন ফার্মসিউটিক্যাল জায়ান্ট গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লেইনের সাবেক ভ্যাকসিন প্রধান। 

এ সময় করোনাকে সঙ্গী করেই চলার আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার ধারণা লোকেরা মাঝে মধ্যে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে, অন্তত অল্প সময়ের জন্য হলেও। তবে আপনাকে এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’

তবে বিশেষজ্ঞরা এখনই লকডাউন তোলাসহ সব সচল করার বিরোধী। তাদের দাবি, এটা হলে ভাইরাসটি আরও ব্যাপকহারে কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়বে। সমালোচকরা বলছেন, নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের দ্বিতীয় মেয়াদ নিশ্চিতের জন্যই ঝুঁকি নিয়ে হলেও সব চালু করে দিতে চাচ্ছেন ট্রাম্প। এক্ষেত্রে মানুষের প্রাণহানির বিষয়টি তোয়াক্কা করছেন না তিনি।  

বিশ্বের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ১৪ লাখ ৭০ হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৮৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছে তিন লাখের কিছু বেশি। এখনো প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে।

আরও পড়ুন

×